ফাইনালে কি অভিষেককে আদৌ দেখা যাবে? অভিষেকের উপর রেগে কাঁই অশ্বিন?
ফাইনালের আগে অশ্বিন চান, অভিষেকের সঙ্গে কথা বলুন কোচ গৌতম গাম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।

এখন সময়টা হয়ত খারাপই চলছে অভিষেক শর্মার। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় এই ওপেনারের পারফরম্যান্স খুব খারাপ। তাই ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মার ব্যাটিং নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট নন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক আবারও ব্যর্থ হয়েছেন। পাওয়ারপ্লে-তে স্পিনারের হাতে আউট হয়ে ক্রিজে ফিরে যান তিনি। অশ্বিনের অভিযোগ কেবলমাত্র রান না পাওয়া নয়, তাঁর ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়েও।
আরো পড়ুন: কেন সেমিফাইনাল ম্যাচের শেষ ওভারে শিবম দুবে-কে বল করতে পাঠানো হয়েছিল? এবার সব সত্য হয়ে গেল ফাঁস!
অভিষেককে নিয়ে কী মনে করছেন অশ্বিন?
এ বিষয়ে অশ্বিন মনে করেন, অভিষেক শর্মা নিজের ইনিংসের পরিকল্পনা ঠিক মতো করেননি। তাঁর ব্যাটিং কৌশলে ছিল শুধুমাত্র জোরে মারার প্রেচেষ্টা। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তিনি খেলেননি। ইংল্যান্ড একজন ফিল্ডার রেখেছিল লেগ সাইডে। আর অভিষেক ঠিক সেই ফিল্ডারের হাতেই বল তুলে দেন। তিনি জানতেন যে ফর্মে নেই, তবুও সঞ্জু স্যামসনকে স্ট্রাইক দিতে চাননি।
সূত্রের খবর অশ্বিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সেমিফাইনালে ওর ব্যাটিং ছিল দায়িত্বজ্ঞানহীন। আমি ওর খেলার ভক্ত, কিন্তু ও ৮ রান করেও ৩০ রান করতে চাইছিল এক ওভারে। কখনও কখনও বল ছেড়ে দিতে হয়। সঞ্জু তখন দুর্দান্ত খেলছিল, তাই এক রান নিয়ে ওকে স্ট্রাইক দেওয়া উচিত ছিল।’
আরো পড়ুন: বাবার প্রেমিকা মাহিকাকে দেখে একেবারে তেতে উঠল হার্দিকে পাঁচ বছর বয়সী ছেলে অগস্ত্য! কিন্তু কেন?
ফাইনালের আগে অশ্বিন কী চাইছেন?
ফাইনালের আগে অশ্বিন চান, অভিষেকের সঙ্গে কথা বলুন কোচ গৌতম গাম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তাঁকে বাদ দেওয়ার বিষয় নয়, বরং তাঁর আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে। অশ্বিনের মতে, অভিষেককে বলা উচিত, বল জোরে মারার চেষ্টা না করে টাইমিংয়ের উপর ভরসা রাখতে। এর আগে অভিষেক নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভালো খেলেছেন, তাই ফাইনালে ওর ওপর আস্থা রাখা উচিত।
অভিষেক প্রসঙ্গে অশ্বিন আরও বলেন, ‘অভিষেকের দুর্দান্ত প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু আমি জানতে চাই, ওর সঙ্গে কী ধরনের আলোচনা হচ্ছে। যদি অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হয়, তবে ও আরও জোরে মারতে চাইবে। অথচ ও টাইমিংয়ের উপর নির্ভর করে খেলে। তাই ওকে ভালো মানসিক অবস্থায় রাখতে হবে।’
যদিও এখন দেখার বিষয় ফাইনালের ম্যাচে ঠিক কী হয়। এর জন্য আমাদের আজকের রাতটা অপেক্ষা করতে হবে।
ট্যাগ:
Souvik Das
editor


