বহুদিন পর আবার একসাথে সেমিফাইনালের গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে মাতলেন ধোনি ও রোহিত! দর্শকরা মুখরিত!
রোহিত শর্মাও সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অন্যতম একজন সফল অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতকে শিরোপা জেতান।

আজ, বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে মুখোমুখি হয়েছে ভারত বনাম ইংল্যান্ড। প্রথমে টসে হেরে যায় ভারত। ফলে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে নামতে হয়। কিন্তু আগের ম্যাচের মতো আজকের ম্যাচেও যে সঞ্জু স্যামসন এভাবে জ্বলে উঠবেন তা হয়ত ধারণা করতে পারেনি ইংল্যান্ড। একাই ৮৯ রানের দুর্দান্ত রানের ইনিংস খেললেন তিনি।
গ্যালারিতে আনন্দে মাতলেন ধোনি-রোহিত!
মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রোহিত শর্মাকে একসঙ্গে গ্যালারিতে দেখা গেলেই ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগ যেন একেবারে নতুন করে জেগে ওঠে। ঠিক এমনই দৃশ্য দেখা গেল ভারত বনাম ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালের ম্যাচে।
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক টস জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান। কিন্তু শুরু থেকেই একেবারে আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করেন ভারতীয় ব্যাটাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে বিশাল ২৫৩ রান, যা টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো বড় মঞ্চে অত্যন্ত শক্তিশালী স্কোর হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
আর এই সময় গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ৪৪ বছর বয়সী ধোনি এবং ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দু’জনকেই দেখা যায় ভারতীয় ব্যাটাররা যখন বড় বড় শট খেলছিলেন তখন হাততালি দিয়ে তাদেরকে উৎসাহিত করছেন। আর ক্যামেরায় তাদের সেই মুহূর্ত ধরা পড়তেই স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের উল্লাস আরও দ্বিগুণ বেড়ে যায়। সোস্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিও। আর তা ভাইরালও হয়।
ক্যাপ্টেন কুলের উপস্থিতি যেন আবার মনে করিয়ে দিল ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁর অসাধারণ অবদান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সাড়ে পাঁচ বছর পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা
বিন্দুমাত্র কমেনি। ভারতকে তিনি তিনটি আইসিসি ট্রফি জিতিয়েছিলেন। মাঠে না খেললেও ধোনির উপস্থিতি যেন ভারতীয় দলের জন্য এক বড় প্রেরণা হয়ে ওঠে তা বলাই বাহুল্য।
অপরদিকে, রোহিত শর্মাও সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অন্যতম একজন সফল অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতকে শিরোপা জেতান।
আরো পড়ুন: 'ঝোপ বুঝে কোপ মেরে দিয়েছে' কলকাতা নাইট রাইডার্স, নাইট শিবিরে এল বিরাট খুশির খবর!
ট্যাগ:
Souvik Das
editor


