দীর্ঘ ১৯ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রানের রেকর্ড গড়ল ওয়েষ্ট ইন্ডিজ, কেবলমাত্র ৪,৬ হাঁকিয়েই করেছে ১৭৮ রান!
সোমবার ভারতের মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ক্যারিবিয়ানরা। আর তারপরেই তাণ্ডব শুরু করে দেয় ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।

জিম্বাবোয়ের বোলারদের একেবারে তুলোধোনা করে রানের পাহাড় গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসরে রেকর্ড ২৫৪/৬ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ক্যারিবীয়রা এই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করল।
২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রানের রেকর্ড!
সালটা ২০০৭, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একেবারে প্রথম আসরেই কেনিয়ার বিপক্ষে শ্রীলংকা রেকর্ড ২৬০/৬ রান করেছিল। আর সেই রেকর্ড দীর্ঘ ১৯ বছর পরও অক্ষত রয়েছে।
সোমবার ভারতের মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ক্যারিবিয়ানরা। আর তারপরেই তাণ্ডব শুরু করে দেয় ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।
আরো পড়ুন: অক্ষরকে না খেলিয়ে কেন খেলানো হল ওয়াশিংটনকে? এবার এই প্রশ্নের উত্তর দিতেই মুখ খুললেন ব্যাটিং কোচ!
দুর্ধর্ষ ইনিংস খেললেন ক্যারিবিয়ানরা!
ক্যারিবীয় দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং এবং অধিনায়ক শাই হোপ ৯ ও ১৪ রানে ফেরে ঠিকই, কিন্তু তারপর ব্যাটিংয়ে ঝর তোলেন সিমরন হেটমায়ার ও রোভম্যান পাওয়েল। এই দুই তারকার ব্যাটিংয়ের জাদুতে রানের রেকর্ড গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সিমরন হেটমায়ারের ঝোড়ো ব্যাটিং!
মাত্র ৩৪ বলে সিমরন হেটমায়ার ৭টি চার আর ৭টি ছক্কার সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৮৫ রান করেন। আর তাঁর ৮০তম টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটাই সর্বোচ্চ রানের স্কোর।
আরো পড়ুন: তীরে এসে তরী ডুবতে চলেছে ভারতীয় দলের! বিশ্বকাপ থেকে ভারতের 'বিদায় ঘন্টা' প্রায় পাকা!
রোভম্যান পাওয়েলের ঝোড়ো ইনিংস!
এদিকে, রোভম্যান পাওয়েল ৩৫ বলে ৪টি চার আর সমান ছক্কায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন। ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে শেরেফানি রাদারফোর্ড মাত্র ১৩ বলে তিন চার আর দুই ছক্কায় অপরাজিত ৩৩ রান করেন।
ভারতের মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ছক্কার রেকর্ড গড়েন ক্যারিবীয়রা। এদিন ১২০ বলে ২৫৪ রানের রেকর্ড গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড হল। আর এই ২৫৪ রান করতে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ১৬টি চার আর ১৯টি ছক্কা মারে। ফলে, কেবলমাত্র বাউন্ডারিতেই ক্যারিবীয়রা সংগ্রহ করে ১৭৮ রান। যা সত্যিই নজিরবিহীন।
Souvik Das
editor


