বিশ্বকাপ হোক বা আইপিএল—ফাইনাল হারতে ক্রিকেটার গম্ভীর কোনোদিন জানেন না! এটাই গম্ভীরের 'পাওয়ার'!
কেকেআরের মেন্টর হওয়ার পর ২০২৪ সালে দলকে আবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করে তিনি, আবারও প্রমাণ করে দেন তাঁর দক্ষতা কতটা।

রবিবার, ভারত মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। আর এই ম্যাচে ভারত ৯৬ রানের ব্যবধানে কিউয়িদের একেবারে ধরাশায়ী করে দিল। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসাবে যে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছিলেন, একজন কোচ হিসাবেও সেটা বজায় রাখলেন গৌতম গম্ভীর। তিনি আরও এক বার দেখিয়ে দিলেন, ফাইনালে জেতার জন্যই মাঠে নামেন গম্ভীর। ভারতের কোচ হিসাবে দু’বছরে দু’টি আইসিসি ট্রফি জিতলেন তিনি। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এই বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এল গম্ভীরের ঝুলিতে।
গৌতম গম্ভীরের 'পাওয়ার'!
এই শুরুটা হয়েছিল ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। প্রথম বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেই পাকিস্তানকে নাকানিচোবানি খাইয়েছিল ভারত। সেই ম্যাচে ৭৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন গৌতম গম্ভীর। এরপর চার বছর পর ২০১১ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ভারত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নেমে ৯৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন গৌতি।
আর জাতীয় দলের এই সাফল্য আইপিএলেও বজায় ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক হওয়ার পর ২০১২ ও ২০১৪ সালের আইপিএল জিতেছিলেন। এখানেই শেষ নয়, কেকেআর শিবিরে এরপর দীর্ঘ দিন ছিল খরা। কিন্তু সেই খরা কাটান মেন্টর গম্ভীর। কেকেআরের মেন্টর হওয়ার পর ২০২৪ সালে দলকে আবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করে তিনি আবারও প্রমাণ করে দেন তাঁর দক্ষতা কতটা।
আর সেই সাফল্য তাঁকে ভারতীয় দলের কোচের পদে বসায়। এই নতুন ভূমিকাতেও বলতে গেলে পুরোপুরি সফল গম্ভীর। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অপরাজিত থেকে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা এ বারেও বজায় থাকল।
আরো পড়ুন: ফাইনালে কি অভিষেককে আদৌ দেখা যাবে? অভিষেকের উপর রেগে কাঁই অশ্বিন?
ট্যাগ:


