সরকারের জমি অপব্যবহার করছেন ধোনি! তড়িঘড়ি নোটিস পৌঁছে গেল! এবার কী করবেন 'ক্যাপ্টেন কুল'?
সম্প্রতি হাউজিং বোর্ডের তদন্তে জমি অপব্যবহারের বিষয়টি ধরা পড়েছে। আর যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের উত্তর যদি যথাযথ এবং যুক্তিসঙ্গত না হয় তাহলে জমির মালিকানা বাতিলও করা হতে পারে।

তিনি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ। কোন সময়ে কোন সিদ্ধান্তটা নিতে হয় তিনি তা খুব ভালো করে জানেন। কিন্তু, এবার ঘটে গেল এক মহা বিপদ। শেষে কিনা মহেন্দ্র সিংহ ধোনির বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পৌঁছে গেল। এই নোটিস পাঠিয়েছে ঝাড়খণ্ড সরকার।
কেন ধোনির কাছে আইনি নোটিস পৌঁছাল?
ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়কের বিরুদ্ধে এবার বিরাট অভিযোগ উঠল। রাঁচিতে বাড়ি তৈরির করার জন্য সরকারের দেওয়া জমি নাকি অপব্যবহার করেছেন মাহি। তাই ধোনিকে নোটিস পাঠিয়েছে ঝাড়খণ্ড হাউজিং বোর্ড।
আরো পড়ুন: সাক্ষাৎকারে শচীনকে নিয়ে বড় কথা বলে ফেললেন বিরাট, সুযোগ পেলেই শচীনের সব কেড়ে নেবেন কিং কোহলি!
হাউজিং বোর্ডের তরফে কী জানানো হচ্ছে?
সরকারি ভাবেই ধোনিকে নোটিস পাঠানোর কথা ঝাড়খণ্ড হাউজিং বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান সঞ্জয় লাল পাসোয়ান জানিয়েছেন, রাঁচিতে ধোনিকে জমি দেওয়া হয়েছিল বাড়ি তৈরির জন্য। বসতি এলাকায় ওই জমি দেওয়া হয়েছিল শর্তসাপেক্ষে। বলা ছিল, ওই জমিতে কেবলমাত্র বসবাসের জন্য বাড়ি তৈরি করা যাবে। ব্যবসায়িক বা অন্য কোনও কাজে সেই জমি ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু সেই শর্ত ভেঙে ধোনি জমিটি ব্যবসায়িক কাজেই ব্যবহার করছেন। আর এই একই কারণে আরও অনেককেই নোটিস দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, পাসোয়ান জানিয়েছেন, সম্প্রতি হাউজিং বোর্ডের তদন্তে জমি অপব্যবহারের বিষয়টি ধরা পড়েছে। আর যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের উত্তর যদি যথাযথ এবং যুক্তিসঙ্গত না হয় তাহলে জমির মালিকানা বাতিলও করা হতে পারে। হার্মু রোডের ওই জমিতে তৈরি বাড়িতে ধোনি এখন থাকেন না। বর্তমানে তিনি থাকেন রিং রোডের নতুন বাড়িতে। আর ওই জমিতে নতুন চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
আরো পড়ুন: সেমিফাইনালের দরজা বন্ধ হয়নি পাকিস্তানের, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যেতে ঠিক কী করতে হবে পাকিস্তানকে?
ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধেও জমি অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে?
হ্যাঁ, এ কথা সত্য যে, সরকারি জমি অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরুদ্ধেও। বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট জমিতে বাড়ি তৈরি করে সেখানে একটি পার্টি অফিস খোলা হয়েছে। যেটা এখন ঝাড়খণ্ড বিজেপির রাজ্য দফতর। অভিযুক্তদের উত্তর খতিয়ে দেখে আইনানুগ পদক্ষেপ করবে ঝাড়খণ্ড হাউজিং বোর্ড, এমনটাই খবর। এখন শেষ পর্যন্ত ঠিক কী হয় সেটাই দেখার।
ট্যাগ:
Souvik Das
editor


