নিজেদের ঘরেই অশান্তি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলেই বাদ দেওয়া হবে পাক অধিনায়ককে, বাদ পড়বেন বাবরও, চরম ক্ষুব্ধ বোর্ডপ্রধান নকভি!
শুধুমাত্র সলমন আঘা নন, কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার, যেমন বরাবরের ক্রিকেটারকেও দল থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। এই খেলার মোড় কখন যে কোনদিকে ঘুরে যাবে তা বলা খুবই কঠিন। তবে সাম্প্রতিককালে পাকিস্তানের পারফরমেন্স পাক ক্রিকেট প্রেমীদের যথেষ্ট নিরাশ করেছে। কারণ, যেভাবে পাক ক্রিকেটাররা সাম্প্রতিককালে পারফর্ম করছে তা নিয়ে সত্যিই জোর সমালোচনা চলছে। তাই এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ফলাফল যাই হোক না কেন, প্রতিযোগিতা শেষ হলেই অধিনায়কত্বের মুকুট ছিনিয়ে নেওয়া হবে সলমন আঘার কাছ থেকে। এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে সে দেশের বোর্ডের অন্দরমহল থেকে।
আরো পড়ুন: সরকারের জমি অপব্যবহার করছেন ধোনি! তড়িঘড়ি নোটিস পৌঁছে গেল! এবার কী করবেন 'ক্যাপ্টেন কুল'?
কেন অধিনায়ক পদ কেড়ে নেওয়া হবে সলমনের?
আসলে, শুধুমাত্র সলমন আঘা নন, কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার, যেমন বরাবরের ক্রিকেটারকেও দল থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক বিশ্বস্ত সূত্র সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, চলতি বিশ্বকাপে যেভাবে পাকিস্তান খেলেছে তাতে অখুশি বোর্ডপ্রধান মহসিন নকভি।
ওই সূত্রই জানিয়েছেন, “নকভি একেবারেই খুশি নন। বিশ্বকাপের আগে নির্বাচক, দল পরিচালন সমিতি এবং নকভির কাছের লোকেরা আশ্বাস দিয়েছিলেন, প্রতিযোগিতায় ভালো ফল হবে। কিন্তু তার ধারেকাছেও যায়নি পাকিস্তানের পারফরম্যান্স।”
আর এই কারণেই নকভি ঠিক করেছেন সলমনকে সরিয়ে দেবেন।
পাশাপাশি কিছু ক্রিকেটারের ভবিষ্যত নিয়ে কোচ মাইক হেসন এবং নির্বাচকদের সঙ্গে কথাও বলবেন তিনি।
আরো পড়ুন: সাক্ষাৎকারে শচীনকে নিয়ে বড় কথা বলে ফেললেন বিরাট, সুযোগ পেলেই শচীনের সব কেড়ে নেবেন কিং কোহলি!
সেই সূত্র বলেছেন, “সলমন, বাবর আজম, উসমান খান এবং আরও কয়েক জন ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি জীবন সম্ভবত বিশ্বকাপের পরেই শেষ হয়ে যেতে চলেছে।”
সলমনের বিকল্প হিসাবে টি-টোয়েন্টিতে শাদাব খান বা শাহিন আফ্রিদিকে অধিনায়ক করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপের আগেই নকভি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, পাকিস্তানকে এবার তরুণ ক্রিকেটার তুলে আনতে হবে এবং আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের চাহিদা অনুযায়ী দল তৈরি করতে হবে। যদিও শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা জানার জন্য আমাদের এখন অপেক্ষা করতে হবে।
ট্যাগ:
Souvik Das
editor





