বৈভব খুব অবাধ্য ছেলে, একদমই পেশাদার নয়, বৈভবের গোপন কথা ফাঁস করে দিলেন তাঁর-ই সতীর্থ!
নিজের কবজির জোরে কার্যত সবাইকে ফ্যান করে নিয়েছেন বৈভব। বয়স মাত্র ১৪ বছর। কিন্তু এই বয়সেই ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এই কিশোর। ঘরোয়া ক্রিকেট হোক বা আন্তর্জাতিক, আগ্রাসী ব্যাটিং করতেই পছন্দ করে বিহারের কিশোর। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেওআগে বৈভবকে নিয়ে আগে থেকেই কার্যত সতর্ক হয়ে গেছিল প্রতিপক্ষ দলগুলি। খুব অল্প দিনেই ক্রিকেটমহলে দারুন জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছেন বৈভব। তবে এবার বৈভবকে নিয়ে বিরাট মন্তব্য করে বসলেন তাঁরই জাতীয় দলের সতীর্থ জিতেশ শর্মা।

বয়স যে কেবলমাত্র একটা সংখ্যা তা বারবার প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছেন বিহারের কিশোর বালক বৈভব সূর্যবংশী। নিজের কবজির জোরে কার্যত সবাইকে ফ্যান করে নিয়েছেন বৈভব। বয়স মাত্র ১৪ বছর। কিন্তু এই বয়সেই ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এই কিশোর। ঘরোয়া ক্রিকেট হোক বা আন্তর্জাতিক, আগ্রাসী ব্যাটিং করতেই পছন্দ করে বিহারের কিশোর। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেওআগে বৈভবকে নিয়ে আগে থেকেই কার্যত সতর্ক হয়ে গেছিল প্রতিপক্ষ দলগুলি। খুব অল্প দিনেই ক্রিকেটমহলে দারুন জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছেন বৈভব। তবে এবার বৈভবকে নিয়ে বিরাট মন্তব্য করে বসলেন তাঁরই জাতীয় দলের সতীর্থ জিতেশ শর্মা। জানিয়ে দিলেন, বৈভব কতটা অবাধ্য ছেলে।
আরো পড়ুন: পাকিস্তান সুপার লিগ ছেড়ে আইপিএলে যোগদান, রাগে 'লাল' হয়ে গেলেন মহসিন নকভি!
কেন বৈভবকে অবাধ্য বললেন জিতেশ?
সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক এবি ডিভিলিয়ার্সের একটি ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জিতেশ।
বৈভবকে নিয়ে কী বললেন ডিভিলিয়ার্স:
সেখানে ডিভিলিয়ার্স বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, বৈভব বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করতে পারে। ও সব সময় ছ’নম্বর গিয়ারে ব্যাট করে। ব্যাটিং দক্ষতা বেশ ভালো।’’ পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন, ‘‘বৈভব খুব ভাল খেলোয়াড়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওকে দেখেছি। আইপিএলের মতো বড় প্রতিযোগিতা খেলার পর, এ রকম খেলা কঠিন। সব ম্যাচে একই মানের ব্যাটিং করে। বিশ্বকাপে ওর খেলা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। খুব পেশাদার। এই বয়সেই দারুণ পরিণত।’’ ডিভিলিয়ার্সের মুখে বৈভবের লাগাতার প্রশংসা শোনার পর জিতেশ বলে ওঠেন, ‘‘বৈভব একদমই পেশাদার নয়। অনেকে ওকে পেশাদার করার চেষ্টা করেছে। তবে আমার মনে হয়, ও কোনও দিন পেশাদার হতে পারবে না। মাঠের মধ্যে ও বেশ ভালো হলেও বাইরে একদমই নয়। আমি নিজেও অনেক চেষ্টা করেছি। নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। রাতে ওকে আইসক্রিম খেতে অনেক বার বারণ করেছি। ও কথাই শোনে না।’’ আর বৈভবের এই দুষ্টুমির কথা বলেই কার্যত হেসে ফেলেন জিতেশ।
ফিটনেসের দিকে ধ্যানই দেয় না বৈভব!
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর উইকেটরক্ষক-ব্যাটার তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, ফিটনেস নিয়ে সচেতন নয় বৈভব। আধুনিক ক্রিকেটে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটিং দক্ষতা, প্রতিভা নিয়ে সংশয় না থাকলেও ফিটনেস ঠিক না থাকলে আগামী দিনে পিছিয়ে পড়তে পারে এই কিশোর ব্যাটার।
ট্যাগ:


