সেমিফাইনালে এন্ট্রি নিতেই নাম না করে বিরাট-রোহিতকে নিয়ে এ কী বললেন গৌতম গম্ভীর!
দুই ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সকে একই জায়গায় রেখে ফের ভারতীয় দলের তারকা সংস্কৃতিকে তোপ দেগেছেন গম্ভীর।

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে এন্ট্রি নিয়ে নিয়েছে। তাই সেমিফাইনালে ওঠা নিয়ে ভারতের আর চিন্তা নেই। কিন্তু এরই মাঝে একটা বিষয় খুব হাইলাইট হয়েছে। রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সাতে নেমে চার বলে ৮ রান করেছিলেন শিবম দুবে। মেরেছিলেন দু’টি চার। কিন্তু, অবাক করা বিষয় হল, ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীরের কাছে শিবমের আট রান এবং সঞ্জু স্যামসনের ৯৭ রানের মধ্যে কোনও ফারাক নেই। কারণ, তাঁর মতে, দু’জনেই দলের জন্য অবদান রেখেছেন। দুই ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সকে একই জায়গায় রেখে ফের ভারতীয় দলের তারকা সংস্কৃতিকে তোপ দেগেছেন গম্ভীর।
বিরাট-রোহিতকে টেনে কী বললেন গৌতম গম্ভীর?
অতীতে ভারতীয় দলে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির পারফরম্যান্স নিয়ে খুব বেশি হইচই হত। আর এই দু’জনের কেউ ভালো খেললে তাঁদের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যেতেন বাকিরা। গম্ভীর কোচ হয়ে আসার পর এই তারকা সংস্কৃতি বন্ধ করতে চেয়েছেন ঠিকই। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ কারণেই টেস্ট থেকে সরে যেতে হয়েছে রোহিত এবং কোহলিকে। সেই তারকাপুজো নিয়ে আরও এক বার মুখ খুলেছেন ভারতের কোচ। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দলে এ সব বরদাস্ত করা হবে না।
কেন গম্ভীরের করা মন্তব্য নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা!
সূত্রের খবর, রবিবার ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে গম্ভীর বলেন, “আপনারা সকলের অবদানের কথা তুললেন বলে আপ্লুত। গত কয়েক বছর ধরে আমরা শুধু কয়েক জনের অবদান নিয়েই কথা বলে এসেছি। বুঝতে হবে এটা দলগত খেলা। বরাবর দলগত খেলাই থাকবে। আমার মনে হয় সঞ্জুর ওই ৯০ রানের সমান হল শিবমের দুটো চার। কারণ শিবম ওই সময় দুটো চার মারতে না পারলে আপনারা হয়তো সঞ্জুর ৯৭ রান নিয়ে কথাই বলতেন না। তাই শুধু ৯৭ নিয়েই কথা বললে হবে না। আমি মানছি সঞ্জু একটা ভাল ইনিংস খেলেছে। কিন্তু যে ছোট ছোট অবদানগুলো ম্যাচ জেতায় সেগুলো নিয়েও ভাবতে হবে।”
কেন ছোট অবদান নিয়ে ভাবতে চান তিনি? এ প্রসঙ্গে গম্ভীর বলেছেন, “বড় অবদান সব সময় শিরোনামে আসে। কিন্তু ছোট অবদানগুলোই শেষ পর্যন্ত দলকে ম্যাচ জেতায়। শেষ ধাপটা পেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। সেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যত দিন আমি এই পদে আছি, তত দিন এই দর্শনেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বলব।”
আরো পড়ুন: বিশ্বকাপ খেলে পুরষ্কার নয়, উল্টে ৫০ লক্ষ টাকা করে জরিমানা দিতে হল পাক ক্রিকেটারদের! কিন্তু কেন?
এখানেই শেষ নয়, গম্ভীর আরও বলেছেন, “আমি তথ্যে বিশ্বাস করি না। কখনও পরিসংখ্যান দেখিনি। জানিই না ও সব নিয়ে কী কাজ হয়। আমি ও সবে বিশ্বাস করি না। আমার মতে, ভেতরের তাগিদই আসল ব্যাপার। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সহজাত খেলাটাই আসল ব্যাপার। নিজের দক্ষতায় বিশ্বাস রাখতে হবে। টি-টোয়েন্টি সম্পর্কে আমার যে জ্ঞান রয়েছে সেটা অধিনায়ককে দেওয়ার চেষ্টা করি। যতটা সম্ভব সাহায্য করতে চাই।”
ট্যাগ:
Souvik Das
editor





