কেবলমাত্র এই কারণে বাংলাদেশ সিরিজে বাবরকে 'ছাঁটাই' করে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল!
প্রাক্তন আম্পায়ার আলিম ইতিমধ্যেই নির্বাচক হিসাবে পদত্যাগ করেছেন। হেসনের কাজকর্মে তিনিও নাকি খুশি ছিলেন না। দল নির্বাচনে কোচের মাথা গলানো বরদাস্ত করতে পারেননি তিনি।

সাম্প্রতিককালে বাবর আজমের ফর্ম সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ তো একেবারেই খারাপ পারফরমেন্স ছিল বাবরের। ফলে আসন্ন বাংলাদেশে এক দিনের সিরিজে তাঁর নাম কাটা হয়েছে। এখন বাবরের ক্রিকেটজীবনই যেন প্রশ্নের মুখে। যদিও এমন সম্ভাবনার কথা কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন। এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে পাক ক্রিকেটের নতুন ঝামেলা।
কোন নতুন ঝামেলা প্রকাশ্যে এল?
বাবর আজম যে বাদ পড়েছেন, এই কথাটাই স্বীকার করতে চাননি হেসন। এখন প্রশ্ন হল কেন? আসলে এ বিষয়ে তাঁর মত, সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে যাতে জুনিয়র ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দেওয়া যায়। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হেসন।
বাবর সম্পর্কে ঠিক কী বললেন হেসন?
সূত্রের খবর, বাবর প্রসঙ্গে হেসন বলেছেন, “কেউ বাদ গিয়েছে এ কথা বলতে রাজি নই। প্রতিভাবান ক্রিকেটারেরা যাতে নিজেদের মেলে ধরতে পারে, তার জন্য আগামী সিরিজ়টা ওদের কাছে একটা সুযোগ।”
আর, তরুণদের কেন সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেই প্রসঙ্গে হেসন বলেছেন, “টি-টোয়েন্টিতে অসাধারণ খেলার জন্যই এক দিনের দলে নেওয়া হয়েছে সাহিবজ়াদা ফারহানকে। এ ছাড়া শামিল হুসেন বা মাজ সাদাকাতের মতো খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেট বা জুনিয়র দলের হয়ে খুব ভাল খেলেছে। তা ছাড়া পরের সিরিজটা সহজ নয়। বাংলাদেশ এক দিনের ক্রিকেটে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ম্যাচ খেলছে। তাই এই সিরিজ জুনিয়র ক্রিকেটারদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।”
পাশাপাশি, জাতীয় নির্বাচক এবং কিছু ক্রিকেটারের সঙ্গে হেসনের খটাখটি লেগেছে বলেও শোনা গিয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন বোলার সিকন্দর বখ্ত সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সব ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছেন কেবলমাত্র হেসনই। পিসিবি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পদে কর্মরত সিকন্দরের সঙ্গে হেসনের নাকি সেই কারণে ঝামেলাও হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচক আলিম দারও নাকি খুশি ছিলেন না।
ঝামেলার জেরে মুখ খুলেছেন সিকন্দর!
সমস্ত ঘটনা বিবেচনা করে সিকন্দর বলেছেন, “ওর সঙ্গে বেশ তর্কাতর্কি হয়েছে আমার। আলিমও এ নিয়ে কথা বলেছিল। তবে বাকি নির্বাচকেরা চুপচাপ বসেছিলেন। হেসনের সিদ্ধান্তে আপত্তি করেননি।”
প্রাক্তন আম্পায়ার আলিম ইতিমধ্যেই নির্বাচক হিসাবে পদত্যাগ করেছেন। হেসনের কাজকর্মে তিনিও নাকি খুশি ছিলেন না। দল নির্বাচনে কোচের মাথা গলানো বরদাস্ত করতে পারেননি তিনি। তাই সিকন্দর জানিয়েছেন, তাঁদের তরফে ২০টি নাম দেওয়া হলেও হেসন মাত্র ১৫ জনকে বেছেছিলেন। আর বাকি কারও কোনও কথায় নাকি তিনি শুনতে চাননি।
ট্যাগ:
Souvik Das
editor


