মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা, তাই যুদ্ধের জন্য বাড়ি ফেরা হচ্ছে না জিম্বাবোয়ের!
জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটাররা আপাতত ভারতেই আছেন। রবিবার দুপুরেই দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল তাদের।

অনেকেই আশঙ্কা করছেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। দুবাইয়ের মতো দেশও এখন সেফ নয়। আর এই পরিস্থিতির ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটারদের। চলতি বিশ্বকাপে তাদের অভিযান শেষ। সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে হেরে গিয়েছে জিম্বাবোয়ে। কিন্তু এখন ঘরে ফেরা নিয়ে অত্যন্ত সমস্যায় পড়েছেন সিকান্দর রাজারা।
কেন বাড়ি ফিরতে পারছেন না জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটাররা?
আসলে, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের থাবায় বিমান পরিষেবা বিশ্রীভাবে বিঘ্নিত। আর তাই ভারত থেকে কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা বুঝতে পারছেন না জিম্বাবোয়ের ক্রিকেট তারকারা। আর এই দুশ্চিন্তার ছায়া পড়েছিল তাঁদের শেষ ম্যাচটিটেও।
আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের। যুদ্ধের আঁচে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়ছেন ক্রিকেট বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষ। ভারতের তারকা শাটলার পি ভি সিন্ধু আপাতত আটকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দুবাইয়ে। তিনি ছাড়াও ইরানের যুদ্ধের জেরে আটকে পড়েছেন ভারতের মহিলা কুস্তিগিররা।
জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটাররা আপাতত কোথায় আছেন?
জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটাররা আপাতত ভারতেই আছেন। রবিবার দুপুরেই দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল তাদের। তবে তারা আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল। ফলত, এই ম্যাচ নিয়ে তাদের যতটা চিন্তা ছিল, তার থেকেও বেশি মাথাব্যথা দেশে ফেরা নিয়ে। সেটার প্রভাব পড়েছে খেলাতেও।
সূত্রের খবর, জিম্বাবোয়ের কোচ জাস্টিন সিমনস ম্যাচের পর বলে যান, "এই ঘটনার পরও মনোযোগ খেলায় ছিল। এরকম কারও মনে হতেই পারে। কিন্তু আমরা তো ঘরে ফিরব। কিন্তু কখন-কীভাবে ফিরব, এই আলোচনাই আমাদের মধ্যে বেশি হচ্ছিল। আমাদের ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে কোনও পরিচ্ছন্ন ধারণা নেই।"
যদিও জানা গিয়েছে, বিকল্প পথে জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটার ও সমর্থকরা দেশে ফিরবেন। ইথিয়োপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা হয়ে তাঁরা দেশে ফিরতে পারেন।
ট্যাগ:
Souvik Das
editor


