ঋণের জেরে অবস্থা খারাপ হয়ে গেছিল ক্রিস গেইল-এর, ছিল না বিল মেটানোর টাকাও, কিন্তু গেইল-কে বাঁচিয়েছিলেন ললিত মোদী!

আইপিএলের প্রথম তিন মরসুমে কলকাতা দলে ছিলেন ক্রিস গেইল। খুব একটা ভালো তিনি খেলতে পারেননি। ফলে ২০১১ নিলামে কেউ তাঁকে কেউই কেনেনি। আর সেই সময় আইপিএলের চুক্তি পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ক্রিস গেইল। ঋণে ডুবে থাকা ক্রিকেটার শরণাপন্ন হয়েছিলেন ললিত মোদীর। তারপর কী ঘটেছিল?

Souvik Das
Souvik Das

2 মিনিট পড়া
Lalit Modi's help to Chris Gayle
i(x.com/bcci)

আজই বিজয়ী হন!

সর্বশেষ ক্রিকেট আপডেট পান, আমাদের কমিউনিটিতে যোগ দিন

iconiconicon

আজকের অত্যধিক জনপ্রিয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ অর্থাৎ আইপিএল, যে ব্যক্তির মস্তিষ্কপ্রসূত তিনিই হলেন ললিত মোদী। আইপিএলের প্রথম তিন মরসুমে কলকাতা দলে ছিলেন ক্রিস গেইল। খুব একটা ভালো তিনি খেলতে পারেননি। ফলে ২০১১ নিলামে কেউ তাঁকে কেউই কেনেনি। আর সেই সময় আইপিএলের চুক্তি পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ক্রিস গেইল। ঋণে ডুবে থাকা ক্রিকেটার শরণাপন্ন হয়েছিলেন ললিত মোদীর। কীভাবে সেটা তাঁর জীবন বদলে দিয়েছিলেন, এবার প্রকাশ্যে সেকথা জানিয়েছেন ললিত নিজেই।

কীভাবে ক্রিস গেইলকে বাঁচিয়েছিলেন ললিত মোদী?

আসলে সে বার নিলামে কোনো দলই পাননি গেইল। পরে ডার্ক ন্যানেস চোট পাওয়ায় তাঁকে কিনেছিল আরসিবি। প্রথম চারটি ম্যাচে না খেলা সত্ত্বেও প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছিলেন গেইলই। দু’টি শতরান এবং তিনটি অর্ধশতরানের সাহায্যে ৬০৮ রান করেছিলেন তিনি। ২০১৭ পর্যন্ত আরসিবি-তে ছিলেন গেল। তত দিনে বহু কীর্তি গড়ে ফেলেছিলেন। এখনও তার কিছু কিছু রেকর্ড রয়ে গিয়েছে।

আরো পড়ুন: এ কি! একেবারে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন ৩৮ বছর বয়সী এই বিখ্যাত বোলার, চেনেন এই বোলারকে?

ললিত মোদীর মন্তব্য:

সূত্রের খবর, এক সাক্ষাৎকারে ললিত মোদী বলেছেন, “২০১১ সালের কথা পরিষ্কার মনে আছে। আইপিএল ছেড়ে লন্ডনে ফেরার পর আমার ভালো বন্ধু ক্রিস গেইল ফোন করেছিল। নিলামে ওকে কেউ কেনেনি। ও তার আগে ভাল খেলতেও পারেনি কলকাতার হয়ে। আমি ওকে বলেছিলাম, ভাল খেলতে পারোনি। অলস হয়ে গিয়েছো। ও বলেছিল, বাজারে প্রচুর টাকা ধার রয়েছে। সব বিল মেটানোর জন্য ওর অনেক টাকা দরকার।”

ক্রিস গেইলকে টাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ললিত মোদী!

ললিত মোদী এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমি কয়েক জনকে ফোন করেছিলাম। সকলেই না করে দেয়। রাস্তার ও পারে বিজয় মাল্ল্যর বাড়ি গিয়ে বললাম, ‘এই ছেলেটাকে নাও’। বিজয় বলল, ‘দলে একটা জায়গা রয়েছে। তবে ভাল খেললে তবেই ওকে টাকা দেব’। ক্রিসকে বললাম, ওই দলে গিয়ে ভাল খেলো। সে বারই ক্রিস বিশ্বরেকর্ড গড়ল। নিজেই নিজের চেকবুক, নিজের জীবন লিখে ফেলেছিল। তার পর আর পিছন ফিরে তাকায়নি। ওর মধ্যে সাফল্যের খিদে ছিল।”

আরো পড়ুন: কেকেআরকে হারানোর পরেই 'বাবা' হলেন রশিদ খান!

ট্যাগ:

আমাদের অনুসরণ করুন

বিগত ৪ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতার সাথে লেখালেখি করেছি। কলমের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই লেখালেখির দুনিয়ায় মূলত পা রাখা। ক্রিকেটের একজন অন্ধ ভক্ত। এর আগেও আমি বহু চ্যানেলে লেখালেখি করেছি। যেখানে প্রতিটি জায়গায় আমি আমার লেখা দিয়ে খেলাধুলার আবেগ, উত্তেজনা এবং বিশ্লেষণ পাঠকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা আমার কাজ নয়

রোহিত শর্মা, ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডকে শিরোপা দেওয়া নিয়ে প্রশ্নে