আরও বাড়বে আইপিএলের ম্যাচের সংখ্যা, ‘ফুটবল স্টাইল’ লিগ আসছে আইপিএলে!
আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকেই চালু হয়ে যেতে পারে ৯৪ ম্যাচের মহারণ। এবার ভারতের ক্রিকেটের সর্ববৃহৎ উৎসব ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ হতে চলেছে আরো দীর্ঘ আর জমজমাট। এতদিন ধরে দশটি দল থাকলেও ৭৪ টি ম্যাচ হত আইপিএলে। এবার সেই পুরাতন ফরম্যাট পরিবর্তন এর ইঙ্গিত দিলেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল। পরের বছর আইপিএলে কি কি পরিবর্তন আসছে?

হ্যাঁ, এবার ‘ফুটবল স্টাইল’ লিগ আসছে আইপিএলে! আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকেই চালু হয়ে যেতে পারে ৯৪ ম্যাচের মহারণ। এবার ভারতের ক্রিকেটের সর্ববৃহৎ উৎসব ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ হতে চলেছে আরো দীর্ঘ আর জমজমাট। এতদিন ধরে দশটি দল থাকলেও ৭৪ টি ম্যাচ হত আইপিএলে। এবার সেই পুরাতন ফরম্যাট পরিবর্তন এর ইঙ্গিত দিলেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল।
২০২৭ সালের পর বাড়তে চোয়েলছে আইপিএল ম্যাচের সংখ্যা?
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের পর থেকে ৭৪ থেকে বেড়ে ৯৪ পর্যন্ত যেতে পারে আইপিএল ম্যাচের সংখ্যা। তাহলে প্রত্যেকটা দল একে অপরের বিরুদ্ধে দুটি করে ম্যাচ খেলতে পারবে অর্থাৎ একটি হোম এবং একটি অ্যাওয়ে ম্যাচ। খানিকটা ইউরোপের ফুটবল লীগের মতো করে ক্রিকেটের এই মেগা টুর্নামেন্টে আসছে পূর্ণাঙ্গ লিগের অনুকরণ।
সমর্থকদের জন্য আসছে আরো ব্লকবাস্টার ম্যাচ:
এখন আইপিএলে দুই গ্রুপে ১০ টি দলকে ভাগ করে আইপিএল সূচি তৈরি করা হয়। তাই সব দলের বিরুদ্ধে একই ম্যাচ খেলার সুযোগ আসে না। তবে যদি নতুন পরিকল্পনা চালু করা হয় তাহলে প্রত্যেকটা দলের জন্য প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সমানভাবে লড়াই করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে আইপিএলে বাড়বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, উত্তেজনা। অন্যদিকে সমর্থকরাও আরো বেশি করে ব্লকবাস্টার ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন।
আইসিসির কাছে আড়াই মাসের উইন্ডো চাইলো বিসিসিআই!
যদিও ৯৪ টি ম্যাচের আইপিএল এত সহজে আয়োজন করা সম্ভব নয় বলেই খবর বোর্ড সূত্রে। বর্তমানে ৬০ থেকে ৬৫ দিনের উইন্ডোতে এতগুলো ম্যাচ এডজাস্ট করা কঠিন। দিনে ডাবল হেডারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্ত আয়ের উপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের সূচিতে অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়েছে আইপিএল এর জন্য। ভারতীয় বোর্ডের পক্ষ থেকে আড়াই মাসের উইন্ডো চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
নির্ধারিত হলো আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু:
অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেই নিয়ম মুখ খুলেছেন ধুমাল। প্রথমে শোনা যাচ্ছিল, এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। যদিও শেষ পর্যন্ত ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে ঠিক করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-কে।
তার কারণ, বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামের সিট সংখ্যা বেশ কম। সারা বিশ্বজুড়ে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচে প্রচুর সংখ্যক দর্শক, স্পনসর, বিশিষ্ট অতিথি ও আইসিসি প্রতিনিধিদের জন্য জায়গা করে দিতে প্রয়োজন বড় স্টেডিয়াম। তাইতো পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম অহমদাবাদকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
বলাই বাহুল্য, আগামী কয়েক বছরে আইপিএল শুধুমাত্র একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হিসেবে আবদ্ধ থাকবে না। আগামী দিনে ক্রীড়া বিনোদনের মহাযজ্ঞে পরিণত হতে পারে আইপিএল।
আরো পড়ুন: 'অহংকার' হার্দিকের পতনের মূল কারণ— হার্দিককে নিয়ে বড় কথা বলে ফেললেন এই ক্রিকেটার!
ট্যাগ:


