ICC vs FIFA: পুরস্কারের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচে কে কাকে টেক্কা দেয়, আইসিসি নাকি ফিফা?
শুরু হতে চলেছে বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন হতে চলেছে। ৪৮টি দলের অংশগ্রহণ, তিনটি আয়োজক দেশ ১৬টি স্টেডিয়ামে ৩৯ দিন ধরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। শুধু আয়োজনের বিশালতাই নয়, আলোচনায় এসেছে বিশ্বকাপের রেকর্ড পরিমাণ পুরস্কারমূল্যও। কোন দল কত পুরস্কার মূল্য পাবে?

শুরু হতে চলেছে বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন হতে চলেছে। ৪৮টি দলের অংশগ্রহণ, তিনটি আয়োজক দেশ ১৬টি স্টেডিয়ামে ৩৯ দিন ধরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। শুধু আয়োজনের বিশালতাই নয়, আলোচনায় এসেছে বিশ্বকাপের রেকর্ড পরিমাণ পুরস্কারমূল্যও।
বিশ্ব ফুটবল সংস্থার আর্থিক অনুমোদন!
২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য বিশ্ব ফুটবল সংস্থা মোট ৭২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন দিয়েছে। তার মধ্যে অংশগ্রহণ করা ৪৮টি দলের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে ৬৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই পরিমাণ গত আসরের থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
কোন দল কত প্রাইজমানি পাবে?
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল, চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাপ্য প্রাইজমানি। বিশ্বকাপজয়ী দল এবারে পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা। ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার পাবে রানার্স-আপ দল, তৃতীয় স্থানাধিকারী দল পাচ্ছে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার ও চতুর্থ স্থানাধিকারী দল পাচ্ছে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রাইজমানি।
এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলো পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, শেষ ষোলোয় থাকা দলগুলো পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১৭ থেকে ৩২ নম্বর স্থানে থাকা দলগুলো পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার এবং ৩৩ থেকে ৪৮ নম্বর স্থানে থাকা দলগুলো পাবে ৯০ লাখ ডলার করে।
বিশ্বকাপে যোগদানের যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলির প্রাপ্য:
এখানেই শেষ নয়, বিশ্বকাপে যোগদান করার যোগ্যতা অর্জন করা দলগুলি প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে পাবে অতিরিক্ত ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। তাই যদি কোনো দল গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়, তবে তাদের আয় অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার হবে।
আরো পড়ুন: আচমকা বোর্ডের দ্বারস্থ কয়েক জন ক্রিকেটার, ওয়ান ডে ফরম্যাটে দলে কি এবার রাশ হারাচ্ছেন গৌতম গম্ভীর?
ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপে প্রাইজমানির পার্থক্য:
২০২৬ সালের টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে পুরস্কারমূল্যের সাথে তুলনা করলে পার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়। ওই প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কার তহবিলের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।
টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী ভারত পায় ২৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪২৩ ডলার। রানার্স-আপ নিউজিল্যান্ড পেল ১৪ লাখ ২২ হাজার ৬৯২ ডলার। তৃতীয় স্থানে অবস্থান করা দক্ষিণ আফ্রিকা পেল ১০ লাখ ৫ হাজার ৫৭৭ ডলার আর চার নম্বরে থাকা ইংল্যান্ড পেল ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৩ ডলার।
পঞ্চম থেকে অষ্টমে থাকা দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে আর শ্রীলঙ্কাও উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ পেয়েছে। যদিও ফুটবল বিশ্বকাপের তুলনায় সেই পরিমাণ অনেকটাই কম।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দল যে অর্থ পাবে, তা টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী দলের পাওয়া অর্থের থেকে প্রায় ১৯ গুণ বেশি। পুরস্কারমূল্যের বড় ব্যবধান ফের প্রমাণ করে দিল, বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা, দর্শকসংখ্যা আর বাণিজ্যিক আয়ের বিচারে এখনও ফুটবলই হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া মঞ্চ হিসেবে অটুট রেখেছে নিজের শীর্ষস্থান।


