জ্বালানি খরচ কমাতে বদলে যেতে পারে আইপিএল ২০২৬-এর বাকি ম্যাচগুলির শিডিউল?
আইপিএল ২০২৬ শুরু হয়েছিল গত ২৮শে মার্চ। আর এখন প্রায় শেষলগ্নে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু এরপর থেকে আইপিএলে অংশগ্রহণকারী দলগুলি আকাশপথে ও সড়কপথে হাজার হাজার কিলোমিটার সফর করেছে। আর দলগুলির শিডিউল ও বিভিন্ন শহরে তাদের ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার কারণেই এই সফর করতে হচ্ছে আইপিএলে অংশগ্রহণকারী দলগুলিকে। যদিও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বর্তমান ছবি অনেকটাই বদলে যাচ্ছে।

আইপিএল ২০২৬ শুরু হয়েছিল গত ২৮শে মার্চ। আর এখন প্রায় শেষলগ্নে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু এরপর থেকে আইপিএলে অংশগ্রহণকারী দলগুলি আকাশপথে ও সড়কপথে হাজার হাজার কিলোমিটার সফর করেছে। আর দলগুলির শিডিউল ও বিভিন্ন শহরে তাদের ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার কারণেই এই সফর করতে হচ্ছে আইপিএলে অংশগ্রহণকারী দলগুলিকে। যদিও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বর্তমান ছবি অনেকটাই বদলে যাচ্ছে। আর শুধু তাই নয়, জ্বালানি সঙ্কটের বিষয়টিও কার্যত ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই এই আবহে আইপিএল চলাকালীন আকাশপথে সফর ভারত সরকারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই অবস্থায়, দিল্লি তথা দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের শীর্ষ সংস্থা চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবিয়া-কে একটি চিঠি লিখে বিমান সফর কমিয়ে বাকি আইপিএল ম্যাচগুলির জন্য একটি নতুন শিডিউল প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন।
আইপিএল ২০২৬-এর বাকি ম্যাচগুলি কি দর্শকবিহীন সীমিত মাঠে হবে?
সূত্রের খবর, ব্রিজেশ গোয়েল ক্রীড়ামন্ত্রীকে দর্শকবিহীন সীমিত মাঠে ম্যাচগুলি আয়োজন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি জানান, করোনার মতো ভয়াবহ মহামারীর সময়েও আয়োজকরা সীমিত সংখ্যক মাঠে সফলভাবে আইপিএল আয়োজন করেছিলেন।
আরো পড়ুন: দীর্ঘ ১১ ম্যাচ অপেক্ষার পরে ৮ বল করার পরেই ফের চোট, ১৮ কোটির পাথিরানাকে নিয়ে মহা সমস্যায় কেকেআর!
জ্বালানি খরচ বাঁচাতে তৎপর সরকার!
এই প্রসঙ্গে ব্রিজেশ গোয়েল আরও জানান যে, একটি ম্যাচে গড়ে ৫০,০০০ দর্শক উপস্থিত থাকেন। যার জন্য হাজার হাজার লিটার পেট্রোল ও ডিজেল খরচ হয়। তাই, দর্শকবিহীন আইপিএল আয়োজন করলে সেই পরিমাণ অর্থও সাশ্রয় হতে পারে।
CTI-এর তথ্য কী বলেছে:
CTI-এর তথ্য অনুযায়ী, আইপিএলে অংশগ্রহণকারী দলগুলি সাধারণত যে চার্টার্ড বিমান, যেমন বোয়িং ৭৩৭ বা এয়ারবাস এ৩২০, ব্যবহার করে, সেগুলি প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২,৪০০ থেকে ৩,০০০ লিটার জ্বালানি খরচ করে। ফলত, যদি একটি ফ্লাইট প্রায় দু'ঘণ্টা উড়ান সম্পন্ন করে সেক্ষেত্রে আনুমানিক ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ লিটার এভিয়েশন ফুয়েল (ATF) খরচ হয়। CTI আরও জানিয়েছে যে, যদি বিমানটি বড় হয় বা দীর্ঘ দূরত্বে বেশি ওজন বহন করে, সেক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৭,০০০ থেকে ৮,০০০ লিটার পর্যন্ত হতে পারে। এখন যদি এই জ্বালানি খরচকে দলগুলির আনুমানিক ১০ টি বিমান ভ্রমণের সঙ্গে গুণ করা হয়, তাহলে বলা যায় যে প্রতিটি দল আনুমানিক ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি খরচ করছে।
আরো পড়ুন: দিল্লিতে টিকিটের কালোবাজারি চরমে, কড়কড়ে ৮০ হাজারে বিক্রি হচ্ছে কোহলিদের ম্যাচের ফ্রি টিকিট!
ট্যাগ:


