বাংলাদেশের এই 'বিখ্যাত' ক্রিকেটারকে পেটাল পুলিশ, কিন্তু কেন?
ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশের ক্রিকেটমহল। মাঠের পারফরম্যান্স নয়, তার পরিবর্তে জাতীয় দলের স্পিনার নাঈম হাসানের সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহার এর মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম বিতর্কের শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে তিনজন পুলিশ সদস্যকে। পুরো ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?

ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশের ক্রিকেটমহল। মাঠের পারফরম্যান্স নয়, তার পরিবর্তে জাতীয় দলের স্পিনার নাঈম হাসান-এর সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহার এর মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম বিতর্কের শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে তিনজন পুলিশ সদস্যকে। পুরো ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়েছে।
নাঈম হাসানের সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহার এর মারধরের অভিযোগ উঠল!
ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশের ক্রিকেট মাঠ। মাঠের পারফরম্যান্স নয়, তার পরিবর্তে জাতীয় দলের স্পিনার নাঈম হাসানের সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহার এর মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম বিতর্কের শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে তিনজন পুলিশ সদস্যকে। পুরো ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়েছে।
বাড়ি ফেরার পথে পুলিশের আক্রমনাত্মক আচরণের মুখে নাঈম!
সূত্রের খবর, এই ঘটনা ঘটে গত ১২ জুন গভীর রাতে চট্টগ্রামে। ঢাকা থেকে নাঈম হাসান বাড়ি ফিরছিলেন। এর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে তিনি প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের সাথে যুক্ত ছিলেন। যদিও তিনি সেই ম্যাচে খেলেননি।
থানায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয় নাঈমকে:
অভিযোগ, চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই নাঈমের সিএনজি অটোরিকশা আটক করে পুলিশ। নাঈমের দাবি, প্রথম থেকেই পুলিশ অফিসারদের আচরণ ছিল বেশ আক্রমণাত্মক। তিনি অভিযোগ তোলেন, তাঁর গলা চেপে ধরে পুলিশ জোর করে অন্য একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে থানায় যাওয়ার চেষ্টা করে।
১৩ জুন ভোররাতে বাড়ি আসেন নাঈম:
ঘটনাস্থলে হাজির স্থানীয়রা পুলিশকে জানান, বাংলাদেশের জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার নাঈম। কিন্তু সেই পরিচয়কে কোনও গুরুত্ব দেয়নি পুলিশ, এমনটাই অভিযোগ। পরে ১৩ জুন ভোররাতে মুক্তি পেয়ে নাঈম বাড়ি ফেরেন।
বরখাস্ত তিন পুলিশকর্তা:
ঘটনার খবর সামনে আসতেই বাংলাদেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। পরিস্থিতির গুরুত্ব দেখে সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাসেল চৌধুরী সহ আরও এক পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।
আরো পড়ুন: শুভমন গিলের ধীরগতিতে ক্ষুব্ধ রোহিত শর্মা, চোখাচোখি না করেই মাঠ ছেড়ে চলে যান!
নাঈমের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী:
এদিকে, এই ঘটনা সামনে আসতেই নাঈম হাসানের বাড়িতে গিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার শওকত আলী তাঁর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেন, তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই দোষী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি স্বীকার করে নেন, প্রাথমিক তদন্তে সঠিক নিয়ম নিয়ে গাফিলতি রয়েছে।
পুলিশ প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, নাঈম হাসান ন্যায়বিচার পাবেন। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে, নাঈম হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সময় অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর মতে, স্থানীয় মানুষ আর সমর্থকেরা পাশে না দাঁড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।
আরো পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ার হয়ে কি চাহালের ক্যারিয়ার এখানেই শেষ?
ট্যাগ:


