একা দায়িত্ব নিয়ে আইপিএল ২০২৬-এ ফাইনালে তুলেছেন বেঙ্গালুরুকে, কিন্তু ম্যাচ জিতে এ কী বলে ফেললেন পাটীদার!
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাত টাইটান্সকে টেক্কা দিয়ে ফাইনালে জায়গা পেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আরসিবির সেই জয়ের অন্যতম নায়ক হলেন অধিনায়ক রজত পাটীদার। মাত্র ৩৩ বলে তিনি ৯৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। তবুও নিজের কৃতিত্ব নিজে নিতে নারাজ রজত। ম্যাচের পর রজত পাটীদার জানান, এমন দুর্দান্ত ইনিংস খেলার জন্য বিশেষ কোনো পরিকল্পনা করে মাঠে নামেননি তিনি। কেমন ছিল এদিনের ম্যাচ?

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাত টাইটান্সকে টেক্কা দিয়ে ফাইনালে জায়গা পেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আরসিবির সেই জয়ের অন্যতম নায়ক হলেন অধিনায়ক রজত পাটীদার। মাত্র ৩৩ বলে তিনি ৯৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। তবুও নিজের কৃতিত্ব নিজে নিতে নারাজ রজত। ম্যাচের পর রজত পাটীদার জানান, এমন দুর্দান্ত ইনিংস খেলার জন্য বিশেষ কোনো পরিকল্পনা করে মাঠে নামেননি তিনি।
রজত পাটীদারের পারফরম্যান্স!
মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রথম পাটীদার একটু ধীর গতিতে খেললেও ভয়ঙ্কর রূপ নেন পরবর্তীতে। তাঁর ব্যাট থেকে ৯টি বিশাল ছয় আসে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পুরো ইনিংসেকিন্তু একটা বলও ডট যায়নি তাঁর। যদিও সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দূরে থেকেই থেমে যেতে হল তাঁকে। তবে তাঁর এই ইনিংসই বেঙ্গালুরুকে এত বড় রান করতে সাহায্য করে।
কী জানালেন রজত পাটীদার?
ম্যাচের পর পাটীদার জানান, “একটা দুর্দান্ত ম্যাচ খেললাম। সাহসী শট খেলেছে আমাদের সব ব্যাটারই। এদিন কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামিনি। তবে শরীরীভাষায় তাঁদের বোঝাতে চেয়েছিলাম, আমরা একেবারে পুরো প্রস্তুত। আগ্রাসী মানসিকতা নিয়ে প্রত্যেকেই ব্যাট করেছে।”
কীভাবে জিতলেন? জানালেন পাটীদার:
বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক এদিন নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি এদিন বলেন, “মূলত আমি পিচ বুঝতে ৮-১০টা বল সময় নিয়ে থাকি। এরপর আগ্রাসী ক্রিকেট খেলি পরিষ্কার মানসিকতা নিয়ে। নিজের উইকেট নিয়ে আমি খুব একটা বেশি ভাবি না। বোলারদের সব সময় চাপে রাখতে চাই। এই পিচে বড় শট খেলা তেমন সহজ ছিল না। অনেক বৈচিত্র ছিল বাউন্সে।”
আইপিএল ট্রফি জয়ের পথে এগিয়ে বেঙ্গালুরু:
গুজরাতের বিপক্ষে কৌশল নিয়েও পাটীদার এদিন খোলাখুলি কথা বলেন। তিনি জানান, গুজরাতের প্রথম তিন ব্যাটারকে তাড়াতাড়ি ফেরানোই ছিল এদিনের ম্যাচের মূল চাবিকাঠি। তাঁরা সেটাই করে দেখিয়েছেন। আইপিএলের ইতিহাসে এদিনের জয়ের কারণে ষষ্ঠ দল হিসেবে টানা দুইবার ফাইনালে উঠে এল বেঙ্গালুরু। এটাই আরসিবির পঞ্চম আইপিএল ফাইনাল। এবার বিরাট কোহলি ও রজত পাটীদারদের বহু প্রতীক্ষিত আইপিএল ট্রফি জয়ের স্বপ্ন আরোও খানিকটা এগিয়ে গেল।
আরো পড়ুন: Vaibhav Sooryavanshi: হল না ১০০, ৯৭-তেই থামতে হল বৈভবকে, পুরো স্টেডিয়াম মাথা নত করল বৈভবের দিকে!
ট্যাগ:


