RCB vs DC Highlights: আইপিএল ২০২৬-এ দিল্লিকে একেবারে লজ্জায় ফেলে দিল আরসিবি, ৮১ বল বাকি থাকতেই জয় ছিনিয়ে নিল বেঙ্গালুরু!
দিল্লি ক্যাপিটালস বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচ হাইলাইটস।

জমে উঠেছে আইপিএল ২০২৬-এর আসর। কিন্তু আইপিএলের ইতিহাসে এদিন সর্বনিম্ন রান তোলার লজ্জা থেকে বাঁচল দিল্লি। আর এর পেছনে দায়ী বাঙালি অভিষেক পোড়েলের ধৈর্যশীল ইনিংস। প্রথমে ব্যাট করে দিল্লি ক্যাপিটালসের ইনিংস শেষ হয় মাত্র ৭৫ রানে। আর এর জবাবে ১ উইকেট হারিয়েই জয়ের রান তুলে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
ভুবনেশ্বর কুমার ও হেজলউডের বোলিংয়ের জেরে সহজেই জিতল বেঙ্গালুরু!
হ্যাঁ, বেঙ্গালুরুর দুই পেসারের সৌজন্যে মাত্র ৭৬ রান তুলতে হত। আর সেই কাজ খুব সহজেই করে দিলেন বেঙ্গালুরুর ব্যাটারেরা। এদিন ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছিলেন বিরাট কোহলি। তিনি হলেন দিল্লির ছেলে। আর এদিন দিনের শেষে হাসিমুখে মাঠ ছাড়লেন। জিততে বেঙ্গালুরুকে বিন্দুমাত্র পরিশ্রম করতে হয়নি। প্রথমে জেকব বেথেল (২০), পরে দেবদত্ত পডিক্কল (অপরাজিত ৩৪) মিলে বেঙ্গালুরুকে অনায়াসে জিতিয়ে দিলেন। কোহলিকে (অপরাজিত ২৩) সেভাবে খেলতেই হল না এদিন। তবে সপ্তম ওভারে জোড়া ছক্কা মেরে দলকে জেতালেন 'কিং' কোহলিই।
বিরাট কোহলির ৯০০০ রান পূর্ণ হল:
আইপিএলে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৯০০০ রান পূরণও করলেন তিনি। চাপের মুখে নিয়ন্ত্রণহীন বল করলেন কাইল জেমিসন। পঞ্চম ওভারে তাঁর ওভারে দু’টি চার এবং দু’টি ছয়-সহ ২১ রান ওঠে। আর ওখানেই কার্যত ম্যাচ শেষ হয়ে যায়।
যদিও এর আগে, দিল্লির ইনিংসের শুরুতে ভুবনেশ্বর এবং হেজলউড যে বোলিং এদিন প্রদর্শন করেন তা দীর্ঘ দিন মনে থেকে যেতে বাধ্য। দু’জনের বোলিংয়ের মধ্যে একটি ব্যাপারে সাদৃশ্য রয়েছে বটে। বোলিংয়ে বিশেষ বৈচিত্র কোনো আনেন না। শুধু নির্দিষ্ট লাইন এবং লেংথে বল করে যান তাঁরা। আর সেই অস্ত্রই কাজে লাগল এদিন। সেইসঙ্গে ছিল ভুবনেশ্বরের সুইং।
আরো পড়ুন: সুপার ওভারে কেন আদতে নারাইনকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, কার পরামর্শে কেকেআরকে জেতালেন নারাইন?
বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে দিল্লি ক্যাপিটালসের আজকের পারফরম্যান্স!
দ্বিতীয় বলেই প্রথম উইকেট পড়ে যায় দিল্লির। ১৮ বছরের সাহিল পারখ আজ প্রথম দিল্লির হয়ে খেলতে নেমেছিলেন। কিন্তু প্রথম বলেই অল্পের জন্য আউট হওয়া থেকে বেঁচে যান তিনি। দ্বিতীয় বলে ভুবনেশ্বর যে ইয়র্কারটি দেন সেটি সাহিল (০) কেন, তাঁর জায়গায় যে কোনও ব্যাটারই আউট হবেন। সাহিলের সামনে কোনও জবাব ছিল না সেই বলের।
এদিকে, দ্বিতীয় ওভারের প্রথম দু’বলে দু’টি উইকেট তুলে নেন হেজলউড। প্রথম বলটি ছিল পিওর বাউন্সার। আগের ম্যাচে নজির গড়ে শতরান করে কেএল রাহুল (১) কোনও মতে ব্যাটটি চালান। আর কানায় লেগে উঠে যাওয়া বল তালুবন্দি করেন জিতেশ শর্মা। পরের বলেই সমীর রিজভি (০) খোঁচা দেন জিতেশের হাতে। দিল্লির স্কোর তখন ছিল ২ রানে ৩ উইকেট।
এরপর, তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে ভুবনেশ্বর কুমার ফেরান ট্রিস্টান স্টাবসকে। নিরীহ বল ছেড়ে দেওয়ার বদলে চালাতে যান স্টাবস (৫)। আর খোঁচা লেগে তা জমা পড়ে যায় পডিক্কলের হাতে। সেই ওভারেই তৃতীয় উইকেট নেন ভুবনেশ্বর। তৃতীয় বলে অক্ষর পটেলের ব্যাটে বল লেগেছে কি না তা জানতে ডিআরএস নিয়েছিল বেঙ্গালুরু, যাতে প্রত্যক্ষ মদত ছিল জিতেশেরই। আর এর পরের বলেই অক্ষর (০) জিতেশের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।
এইভাবে এদিন একে একে সব ব্যাটাররা ফিরে যান সাজঘরে। আর জবাবে খুব সহজেই ম্যাচটি জিতে নেয় বেঙ্গালুরু।
আরো পড়ুন: প্যাট কামিন্সকে প্রথম বলে ছক্কা হাঁকায় বৈভব, আর তারপরে বৈভবকে নিয়ে এ কী বলে ফেললেন কামিন্স!
ট্যাগ:


