ক্রিকেটের 'পবিত্রতা' শেষ হয়ে যাচ্ছে, বিসিসিআইকে পদক্ষেপ গ্ৰহনের জন্য জানালেন সুনীল গাভাস্কার!
জমে উঠেছে আইপিএল ২০২৬-এর আসর। ২২ গজের ময়দানে কার্যত একের পর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ উপভোগ করছেন দর্শকরা। কোনোটাই ২৬৫ রান তাড়া করেও দল জিতে যাচ্ছে। কোনোটাই আবার ১৫৫ রানও তাড়া করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু একটা বিষয়ে অত্যন্ত অখুশি সুনীল গাভাস্কার। জানেন কোন বিষয়ে অখুশি সানি?

জমে উঠেছে আইপিএল ২০২৬-এর আসর। ২২ গজের ময়দানে কার্যত একের পর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ উপভোগ করছেন দর্শকরা। কোনোটাই ২৬৫ রান তাড়া করেও দল জিতে যাচ্ছে। কোনোটাই আবার ১৫৫ রানও তাড়া করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু একটা বিষয়ে অত্যন্ত অখুশি সুনীল গাভাস্কার।
কোন বিষয় নিয়ে খুশি নন সুনীল গাভাস্কার?
আসলে, ম্যাচের সময় চলে যাচ্ছে ৪ ঘণ্টার উপর। আর মাঠের মধ্যে প্রচুর বাড়তি লোক ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই এগুলি ম্যাচের ক্ষতি করছে। সেই কারণে এবার বিসিসিআইকে চিঠি লিখলেন গাভাস্কার।
কেন বিসিসিআই-কে চিঠি লিখলেন সুনীল গাভাস্কার?
সাধারণত আইপিএলের ম্যাচ হয় ৩ ঘণ্টায়। কিন্তু এই মরশুমের আইপিএলে অনেকগুলি ম্যাচ হয়েছে প্রায় ৪ ঘণ্টায়। যা দর্শকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাচ্ছে। স্লো-ওভার রেটের সমস্যা মেটাতে বোর্ড অধিনায়কদের আর্থিক জরিমানাও করছে। এমনকি তাঁদের উপর নিষেধাজ্ঞাও নেমে আসছে। কিন্তু তাতেও তেমন কোনো সমাধান পাওয়া যানি। এবারই যেমন আরসিবি বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচ সম্পন্ন হয়েছে ৪ ঘণ্টা ২২ মিনিটে।
স্লো-ওভার রেট নিয়ে গাভাস্কারের মন্তব্য:
ইতিমধ্যেই এর একটা বড় কারণ খুঁজে পেয়েছেন গাভাস্কার। তাঁর বক্তব্য, ম্যাচের বিভিন্ন বিরতিতে প্রচুর বাইরের লোক মাঠে ঢুকে পড়েন। আর সেটা মাঠের 'পবিত্রতা' নষ্টের সঙ্গে সময়ও নষ্ট করে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, "প্রায়শই দেখা যায়, রিজার্ভ খেলোয়াড়রা বাউন্ডারির কাছে থাকা ফিল্ডারকে জলের বোতল দেওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে মাঠে নেমে আসেন। এটা হতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ এর ফলে খেলা চলাকালীন, এমনকী ডেলিভারির মাঝেও, মাঠে ১১ জনের বেশি খেলোয়াড় থেকে যায়। স্ট্র্যাটেজিক টাইম-আউটের সময়েও প্রায়শই মাঠে প্রায় আধ ডজন লোককে দেখা যায়। এটা বাড়াবাড়ি। জল বহনকারী দুজন রিজার্ভ খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফের দুজন সদস্য ছাড়া আর কাউকেই মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।"
আরো পড়ুন: পঞ্জাব শিবিরে আচমকা শোকের ছায়া নেমে এল, কার কী হল শ্রেয়সের দলে?
পাশাপাশি, তিনি আরও জানান, "আমি যদি পিচ রিপোর্ট বা কোনও টিভি শো না করি, তবে আমি খুব কমই মাঠে পা রাখি। আশা করি, বিসিসিআইও চাইবে মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেন নির্দিষ্ট সীমা থাকে। দয়া করে খেলার মাঠের পবিত্রতা বজায় রাখুন।"
স্লো-ওভার রেটের জন্য গাভাস্কারের পরামর্শ:
"যেহেতু সব ব্যাটার ডাগআউটে আছেন, তাই মাঠে প্রবেশের সময় দু'মিনিটের বদলে এক মিনিট করা যেতে পারে। এরপরও যদি কোনো ব্যাটার মাঠে নামতে দেরি করেন, তাহলে দু-একবার সতর্ক করার পর পেনাল্টি রান দেওয়া উচিত।"
যদিও বিসিসিআইয়ের তরফে এ প্রসঙ্গে এখনও কোনো কিছু জানানো হয়নি।
ট্যাগ:


