এ কি! ফ্যানেদের সঙ্গে সেলফি তুলতে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে বৈভব সূর্যবংশী, আসল ঘটনাটি শুনলে 'থ' হয়ে যাবেন!
বৈভব সূর্যবংশী এখন রীতিমতো সেনসেশন। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বৈভবের লাখো ফ্যান। আর অবাক করা বিনয় হল, আট থেকে আশি সবাই হল বৈভবের ফ্যান। তবে এবার ঘটে গেল এক অন্য ঘটনা। আসলে, বৈভবের সঙ্গে ছবি তুলবে বলে এগিয়ে এসেছিল দুই খুদে সমর্থক। তারপর কী ঘটে?

বৈভব সূর্যবংশী এখন রীতিমতো সেনসেশন। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বৈভবের লাখো ফ্যান। আর অবাক করা বিনয় হল, আট থেকে আশি সবাই হল বৈভবের ফ্যান। তবে এবার ঘটে গেল এক অন্য ঘটনা। আসলে, বৈভবের সঙ্গে ছবি তুলবে বলে এগিয়ে এসেছিল দুই খুদে সমর্থক। কিন্তু তারপর যা ঘটল তা সত্যিই অবাক করার মতো!
ফ্যানেদের সঙ্গে সেলফি তুলতে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে বৈভব?
বৈভবের সঙ্গে যখন দুই খুদে সমর্থক সেলফি তুলতে যায়, তখন বৈভব সেই দুই সমর্থককে থামিয়ে দিয়ে টাকা চায়। সে জানায়, এক-একটি ছবি তুলতে সে ১০০ টাকা করে নেবে। কিন্তু, ওই দুই সমর্থক টাকা নিয়ে আসতেই জানা গেল আসল রহস্য।
আসল ঘটনাটি কী ঘটেছিল?
আসলে, এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুর বিমানবন্দরে। ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বৈভবকে দেখে ছবি তোলার জন্য এগিয়ে এসেছিল দুই সমর্থক। তাদের ফিরিয়ে দিয়ে বৈভব জানায় যে, বিনামূল্যে সে ছবি তুলবে না।
আরো পড়ুন: পঞ্জাব শিবিরে আচমকা শোকের ছায়া নেমে এল, কার কী হল শ্রেয়সের দলে?
বৈভবের মন্তব্য:
বৈভব তাদের বলে, “ভাই, আমি টাকা নিই। আমি এখন সত্যি করে তোমাদের বলছি, আমি ১০০ টাকা করে নেব।”
আর বৈভবের কথা শুনে কিছু ক্ষণ পর দুই সমর্থক ২০০ টাকা নিয়ে হাজির হয়। কিন্তু তখনই হাসিতে ফেটে পড়ে বৈভব। সে জানায়, দু’জনের সঙ্গে মজা করছে। এর পর ওই দুই সমর্থকের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি তোলে সূর্যবংশী। এদিকে বৈভবের কাণ্ড দেখে হাসিতে ফেটে পড়ে তার সতীর্থেরাও।
বৈভবকে নিয়ে কী বলেছেন প্যাট কামিন্স:
আগের ম্যাচে হায়দারাবাদের প্যাট কামিন্স-কে প্রথম বলেই ছক্কা মেরেছিল বৈভব। আর সেই কামিন্স ম্যাচের পর উচ্ছ্বসিত বৈভবকে নিয়ে। এদিন কামিন্স বলেছিলেন, ‘‘এখন বৈভবই আমার প্রিয় ক্রিকেটার। কী জোরে বল মারে! প্রতিটি বল দূরে দূরে পাঠায়। ওর ব্যাটিং দেখতে দারুণ লাগে।’’ কামিন্স আরও বলেছিলেন, ‘‘বলের লাইন এবং লেংথ খুব ভাল না হলেই মেরে দেবে। বোলার হিসাবে নিখুঁত হতে হবে। ক্রিকেটজীবনটা যে ভাবে শুরু করেছে, এক কথায় দুর্দান্ত। অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ওর মধ্যে। সত্যিই বৈভবের খেলা দেখতে ভালো লাগে। খেলাটা নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’’




