Vaibhav Sooryavanshi's Mother: রাতে না ঘুমিয়ে ১০-১৫ জনের রান্না করতে হত, বৈভবের মায়ের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের কথা জানলে অবাক হবেন!
ভারতীয় ক্রিকেটের বিস্ময় বালক হলেন বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৫ বছর বয়সী বৈভব জাতীয় দলে ডাক পেয়ে আজই ইতিহাস গড়ার পথে আইপিএলে তাঁর বিস্ফোরক ব্যাটিং ক্রিকেট বিশ্বকে ইতিমধ্যেই মুগ্ধ করেছে। তবে বৈভবের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর পরিবার। বিশেষত মা আরতি দেবীর অনেক ত্যাগ আর অক্লান্ত পরিশ্রমের গল্প। কেমন ছিল বৈভবের শৈশব?

ভারতীয় ক্রিকেটের বিস্ময় বালক হলেন বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৫ বছর বয়সী বৈভব জাতীয় দলে ডাক পেয়ে আজই ইতিহাস গড়ার পথে আইপিএলে তাঁর বিস্ফোরক ব্যাটিং ক্রিকেট বিশ্বকে ইতিমধ্যেই মুগ্ধ করেছে। তবে বৈভবের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর পরিবার। বিশেষত মা আরতি দেবীর অনেক ত্যাগ আর অক্লান্ত পরিশ্রমের গল্প।
ছেলের জন্য ভোররাতে রান্না করতেন বৈভবের মা!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বৈভবের শৈশবের কোচ মণীশ ওঝা সেই সংগ্রামের প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন, বৈভবের ক্রিকেট অনুশীলনে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেই জন্য তাঁর মা রোজ রাত ২টা কিংবা ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ ঘুম থেকে উঠে রান্না করতেন।
অনুশীলনে যাওয়া বোলারদের জন্যও খাবার পাঠাতেন বৈভবের মা!
মণীশ ওঝা বলেন, “শুধু বৈভব, তাঁর বাবা কিংবা ড্রাইভারের জন্যই বৈভবের মা খাবার তৈরি করতেন না। যে সকল বোলার বৈভবের সাথে অনুশীলনে যেত, তিনি খাবার রান্না করতেন তাদের জন্যও। শুধু তাই নয়, আলাদা খাবারের ব্যবস্থা থাকত অ্যাকাডেমির নেট বোলারদের জন্যও।”
বৈভবের খাবার সকলের মধ্যে ভাগ করে দিতেন আরতি দেবী:
তিনি আরও জানান, অনেক ক্রিকেটার পরিবারের কাছ থেকে সহায়তা পেতেন না। আরতি দেবী তাদের জন্যও প্রতিদিনই খাবার নিয়ে যেতেন। কোনো বোলার নিজের খাবার আনতে ভুলে গেলে কিংবা ক্লান্ত হয়ে গেলে, তখন সবার মধ্যে বৈভবের খাবারই ভাগ করে দেওয়া হত। নিয়মিত সেই খবর প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন খেতেন।
আরো পড়ুন: বাংলাদেশের এই 'বিখ্যাত' ক্রিকেটারকে পেটাল পুলিশ, কিন্তু কেন?
কোচ মনে করেন, “ভোর ২টায় উঠে এত জনের জন্য রোজ রান্না করা সত্যিই দারুন অবদান। বৈভবের সাফল্যের নেপথ্যে তাঁর মায়ের এই ত্যাগ কখনও ভোলার নয়।”
এদিকে বৈভব জাতীয় দলে সুযোগ পেতেই তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক। বৈভবের প্রতিভাকে তিনি ‘অবিশ্বাস্য’ বলে উল্লেখ করেন।
বৈভবের পারফরম্যান্স দেখে উচ্ছসিত টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক:
সীতাংশু কোটাক জানান, “অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে আমি ওর কয়েকটি ইনিংস দেখেছিলাম। তবে আইপিএলে যেভাবে ও বিশ্বের সেরা বোলারদের বিপক্ষে ব্যাট করেছে, সেটা সত্যিই অবাক করার বিষয়। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই এমন শট নির্বাচন, আত্মবিশ্বাস, ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা খুবই কম সংখ্যক ক্রিকেটারের মধ্যে থাকে। সে অত্যন্ত প্রতিভাবান। তাকে নিয়ে খুবই আশাবাদী আমরা।” আপাতত জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকের আশায় বৈভব সূর্যবংশী।
আরো পড়ুন: হঠাৎই খেলা চলাকালীন পিরিয়ড হলে কী করেন মহিলা ক্রিকেটাররা জানেন, কী বলছে ক্রিকেটের নিয়ম?
ট্যাগ:


