বন্ধ হয়ে গেল বিরাট কোহলির শখের রেস্তরাঁ, কোটি কোটি টাকার দেনা জর্জরিত বিরাটের রেস্তরাঁ!
বিরাট কোহলি ক্রিকেটার হলেও তাঁর রেস্তরাঁ ব্যবসার শখ বহুদিনের। তিনি ক্রিকেটার হওয়ার পাশাপাশি একজন ব্যবসায়ীও। মুম্বই, কলকাতা এমনকি বেঙ্গালুরুতেও তাঁর রেস্তরাঁ রয়েছে। দক্ষিণী এই শহরে বিরাটের রেস্তরাঁর নাম হল ‘ওয়ান এইট কমিউন’। যদিও এবার সেখানে ঘটে গেল বিরাট কান্ড।ঋণের দায়ে শেষমেষ বন্ধই হয়ে গেল বিরাটের শখের ওয়ান এইট কমিউন। কিন্তু কেন?

বিরাট কোহলি ক্রিকেটার হলেও তাঁর রেস্তরাঁ ব্যবসার শখ বহুদিনের। তিনি ক্রিকেটার হওয়ার পাশাপাশি একজন ব্যবসায়ীও। মুম্বই, কলকাতা এমনকি বেঙ্গালুরুতেও তাঁর রেস্তরাঁ রয়েছে। দক্ষিণী এই শহরে বিরাটের রেস্তরাঁর নাম হল ‘ওয়ান এইট কমিউন’। যদিও এবার সেখানে ঘটে গেল বিরাট কান্ড।ঋণের দায়ে শেষমেষ বন্ধই হয়ে গেল বিরাটের শখের ওয়ান এইট কমিউন।
বন্ধ হয়ে গেল বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ!
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় শহরের সিভিল কোর্টের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিরাটের এই রেস্তরাঁটি। প্রায় ছ'মাসের ভাড়া, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং ট্যাক্স-সহ ২ কোটিরও বেশি বকেয়া হয়ে গিয়েছে। আর তাই বাড়ির মালিক আদালতে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। আর এরপরেই আদালত বিরাটের রেস্তরাঁ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়।
কেন বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ-তে তালা ঝুলিয়ে দিল আদালত?
বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের কাছেই অবস্থিত বিরাটের এই আউটলেটটি। আর সেখান থেকে নিজের ব্র্যান্ডের নাম সরিয়ে নিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের আইকন। সূত্রের খবর, একাধিকবার নিয়মভঙ্গ ও অগ্নি নির্বাপণ সংক্রান্ত নোটিশ পাওয়ার পরই ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করেন কোহলি। এমনকি রেস্তরাঁর সঙ্গে সম্পর্কও ছিন্ন করেছিলেন। রেস্তরাঁটি পরিচালনা করত ট্রিও হিলস হসপিটালিটি। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ভাড়া ও অন্যান্য আর্থিক দায় মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছিল তারা। আর তাই শেষ পর্যন্ত বাড়ির মালিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
আরো পড়ুন: আইপিএল শেষ হয়েও শান্তি নেই ক্রিকেটারদের, বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তে বিরক্ত গৌতম গাম্ভীর ও শুভমান গিল!
পাশাপাশি, বৃহৎ বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকের তরফেও একাধিকবার নিয়মভঙ্গের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তাতে অভিযোগ ছিল, অগ্নি নির্বাপণ দফতরের প্রয়োজনীয় 'নো অবজেকশন সার্টিফিকেট' ছাড়াই রমরমিয়ে চলছিল ব্যবসা। এছাড়াও, নির্ধারিত সময়ের বেশি রাত পর্যন্ত খোলা রাখার অভিযোগেও মামলা দায়ের হয়।
কতদিন বন্ধ থাকবে বিরাটের এই রেস্তোরাঁ:
গত বছর জুন মাসে সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এই রেস্তরাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না থাকার অভিযোগ উঠেছিল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে চালু হওয়া এই শাখাটি প্রথম থেকেই একাধিক বিতর্কে জড়ায়। কোহলির ব্র্যান্ড সরে যাওয়া এবং ক্রেতা কমে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতিও যথেষ্ট বাড়ছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত বকেয়া না মেটানো পর্যন্ত আপাতত বন্ধই থাকবে 'ওয়ান এইট কমিউন'। উল্লেখ্য, বিরাট কোহলি এখন আইপিএল খেলায় ব্যস্ত রয়েছেন।
ট্যাগ:


