শামির পরিসংখ্যানের আশেপাশেও নেই, তাহলে ঠিক কীসের ভিত্তিতে সুযোগ পেলেন গুরনুর ব্রার?
বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই আফগানিস্তান সিরিজ়ের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা সমাপ্ত। এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এবং তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজের ক্ষেত্রে দলে অনেক চমক দেখা গেছে। খেলোয়াড়দের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন পাঞ্জাবের তরুণ পেসার গুরনুর ব্রার। টেস্ট এবং একদিনের দলে তিনি জায়গা পেয়েছেন মাত্র ২৫ বছর বয়সে। তারপর থেকেই ভারতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার মহম্মদ শামি-র সঙ্গে তাঁর তুলনা শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে অভিজ্ঞ এবং অন্যদিকে তরুণ দুই পেসারকে নিয়ে কেনো তুলনা?

বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই আফগানিস্তান সিরিজ়ের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা সমাপ্ত। এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এবং তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজের ক্ষেত্রে দলে অনেক চমক দেখা গেছে। খেলোয়াড়দের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন পাঞ্জাবের তরুণ পেসার গুরনুর ব্রার। টেস্ট এবং একদিনের দলে তিনি জায়গা পেয়েছেন মাত্র ২৫ বছর বয়সে। তারপর থেকেই ভারতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার মহম্মদ শামি-র সঙ্গে তাঁর তুলনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
গুরনুর ব্রারের আইপিএল যাত্রা!
২০২৬ আইপিএলে গুজরাট টাইটানসের হয়ে খেলছেন গুরনুর ব্রার। তাঁর অভিষেক ঘটেছিল ২০২৩ সালে আইপিএলে। প্রথম দিকে তিনি পাঞ্জাব কিংস-এর হয়ে খেলতেন। পরে অবশ্য সুযোগ পেয়ে গুজরাটে। তবে এখনো পর্যন্ত তিনি আইপিএলে খেলেছেন একটিমাত্র ম্যাচ। ওই একটি ম্যাচে তিন ওভার বল করে ৪২ রান খরচ করে পাননি কোন উইকেট।
এবারের আইপিএল মরশুমে মহম্মদ শামির পারফরমেন্স!
চলতি আইপিএলে অভিজ্ঞ পেসার মহম্মদ শামি খেলেছেন ১২টি। পেয়েছেন ১২টি উইকেট। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, তিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য বোলার। দলের ফলাফল ভালো না হলেও নিজের পারফরমেন্সে মরচে ধরতে দেননি শামি।
আরো পড়ুন: পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার এখন ব্রিটেনের স্থায়ী বাসিন্দা, এবার আইপিএলও খেলতে পারবেন তিনি!
ঘরোয়া ক্রিকেটে দুই পেসারের ফারাক:
ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিসখ্যান বলছে, বিজয় হাজারে ট্রফিতে আটটি ম্যাচে গুরনুর ব্রার ১১টি উইকেট তোলেন। বেশ কিছু ম্যাচে অনেক রান খরচ করেন তিনি। মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ৮০ রান দিয়ে একটাও উইকেট তুলতে পারেনি। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি দুই উইকেট সংগ্রহ করে ৭৪ রান দেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে,সাতটি ম্যাচে মহম্মদ শামি ১৫ টি উইকেট তুলে নজর কাড়েন। প্রতিটি ম্যাচেই তিনি উইকেট পেয়েছেন। তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ৬.১১।
রঞ্জি ট্রফিতেও মাত্র ২টি ম্যাচ খেলে গুরনুর ব্রার ৪টি উইকেট সংগ্রহ করেন। অন্যদিকে বাংলার হয়ে দারুন পারফরম্যান্স করে সাতটি ম্যাচে ৩৬টি উইকেট নেন মহম্মদ শামি। লাল বলের ক্রিকেটে তিনি যে এখনো কতটা কার্যকর, সেটাই প্রমাণ করেছেন তিনি। একাধিক ইনিংসে পাঁচের বেশি উইকেট সংগ্রহ করার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে বল করে নিজের ফিটনেসের প্রমাণ দিয়েছেন।
জাতীয় দলের সুযোগ হলো না শামির:
এত ভালো পারফরমেন্স থাকার পরেও জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন না শামি। তাই প্রশ্ন উঠছে, জাতীয় দলের সুযোগ পেতে পরিসংখ্যান প্রয়োজন? নাকি ভবিষ্যতের দল গঠনের লক্ষ্য নিয়েছে বিসিসিআই? তারই মধ্যে জাতীয় দলে গুরনুর ব্রারের সুযোগ মেলায় খুলে গিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দরজা। অন্যদিকে মহম্মদ শামির বাদ পড়া নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
আরো পড়ুন: প্রথম ৬টি ম্যাচে জয় অধরা থাকার পরেও প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকছে কেকেআর, কিন্তু কোন অঙ্কে?
ট্যাগ:


