আমিষ খেতে ভালোবাসতেন, কিন্তু অনুষ্কার ছোঁয়ায় বদলে গেলেন বিরাট কোহলি, কোন নিরামিষভোজী হয়েছেন বিরুষ্কা?
সত্যিকারের ভালোবাসা জীবনে এলে সম্পর্ক নিয়ে ধারণা বদলে দেওয়ার পাশাপাশি, জীবন যাপন আর মানসিকতাকেও অনেকটা বদলে দেয়। তেমনটাই ঘটেছে বলিউড অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা এবং ভারতীয় ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলির জীবনে। তাঁরা শুধু জনপ্রিয় দম্পতি নন, একে অপরের কাছে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ এক দশকের দাম্পত্য জীবন। এতগুলো দিনে একসঙ্গে তাঁরা প্রমাণ করে দিয়েছেন সেকথা। কিন্তু কিভাবে সবটা সম্ভব হলো?

সত্যিকারের ভালোবাসা জীবনে এলে সম্পর্ক নিয়ে ধারণা বদলে দেওয়ার পাশাপাশি, জীবন যাপন আর মানসিকতাকেও অনেকটা বদলে দেয়। তেমনটাই ঘটেছে বলিউড অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা এবং ভারতীয় ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলি-র জীবনে। তাঁরা শুধু জনপ্রিয় দম্পতি নন, একে অপরের কাছে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ এক দশকের দাম্পত্য জীবন। এতগুলো দিনে একসঙ্গে তাঁরা প্রমাণ করে দিয়েছেন সেকথা।
প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতি থেকে নিরামিষভোজী হন অনুষ্কা!
প্রাণীদের প্রতি গভীর ভালোবাসা আর সহানুভূতির জন্য অনুষ্কা শর্মা ২০১৫ সালে নিরামিষভোজী হন। যদিও শুরুটা খুব একটা সহজ ছিল না। কিন্তু তবুও তিনি নিরামিষভোজী হন। শারীরিক সুস্থতার কথা ভেবেই প্রথম দিকে বিরাট নিজেও নিরামিষভোজী হন। এরপর তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত এটাই। বিরাট বহুবার স্বীকার করেছেন, তিনি এতদিনে আগের তুলনায় আরো সংযত, সচেতন আর শান্ত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন শুধুমাত্র অনুষ্কার প্রভাবেই। তিনি জানিয়েছেন, প্রাণীদের প্রতি অনুষ্কার ভালোবাসা অগাধ। তা দেখে প্রভাবিত হন বিরাট। সেই কারণে এখন তিনি মাংস খাওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না।
নিরামিষভোজী হয়ে আগের চেয়ে অনেক সুস্থ অনুষ্কা!
এদিকে অনুষ্কা মনে করেন, নিরামিষ ভোজী হয়ে জীবনযাপন করা শুধু খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের জন্য নয়। তাঁর কাছে এটি আধ্যাত্মিক যাত্রা। তিনি মনে করেন, তাঁর জীবনের এই পরিবর্তনের ফলে শারীরিকভাবে অনেকটা সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি তিনি পরিবেশ, প্রাণী ও জীবনের প্রতি আগের চেয়ে অনেক সংবেদনশীল ও মানবিক হয়েছেন।
এখনো পর্যন্ত ভোজনরসিক বিরাট-অনুষ্কা:
তবে জীবন যাত্রায় পরিবর্তন আনতে গিয়ে খাবারের প্রতি প্রেম কমেনি বিরাট অনুষ্কার। বিদেশি নানান রেস্তোরাঁয় গিয়ে বিশেষ নিরামিষ পদ তৈরি করিয়ে নেন। এখন এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। লন্ডনের একটি রেস্তোরাঁয় ২০২৩ সালে এক অভিনব নিরামিষ ‘ফো’ তৈরি করা হয়েছিল তাঁদের জন্য। সেখানে সাপ নয়, ব্যবহার করা হয় চিচিঙ্গা। সেই নিয়ে অনেক চর্চাও হয়েছে।
দেশীয় খাবারের প্রতিও ভালোবাসা রয়েছে দুজনের:
তবে দেশের খাবারের প্রতি তাঁদের টান রয়েছে অনেকটা। বিশেষত বিরাট কোহলির পছন্দের অন্যতম খাবারগুলির মধ্যে একটি হল ছোলে-ভাটুরে। অনুষ্কা শর্মা মুম্বইয়ে একবার বিরাটের জন্য ভালো ছোলে-ভাটুরের দোকানের খোঁজ পান। সেই খাবার খেয়ে বিরাট শুধু খুশি হননি, তাঁর জন্য রেস্তোরাঁটির জনপ্রিয়তাও বেড়ে যায়।
ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলিতেও বিরাট অনুষ্কার উপস্থিতি:
শুধু বড় বড় রেস্তোরাঁ নয়, ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলিও তাঁদের কাছে সমান জনপ্রিয়। বেঙ্গালুরুর এক সাধারণ রেস্তোরাঁয় বিরাট আর অনুষ্কার উপস্থিতির জন্য প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। ওই জায়গার সঙ্গে অনুষ্কার কলেজ জীবনের অনেক স্মৃতি আজও রয়ে গিয়েছে। সেখানে গিয়ে বিরাট নিজেও নানান খাবার খেতে পছন্দ করেন।
আরো পড়ুন: বিরাট কোহলির বার্তায় চরম বিপাকে বোর্ড, বিশ্বকাপের দল নির্বাচন নিয়ে উলটপুরান কান্ড!
ট্যাগ:


