ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজে চালু হয়ে গেল নয়া প্রযুক্তি 'সনিক'!
ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার এগিয়ে গেল আরও একধাপ। নতুন এক প্রযুক্তি ‘সনিক’ চালু হয়েছে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজে। এই প্রযুক্তি ডিআরএসের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে। বল ব্যাটে লেগেছে নাকি, সেটাই শব্দের তারতম্য দেখে বিশ্লেষণ করে জানা যাবে।

ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার এগিয়ে গেল আরও একধাপ। নতুন এক প্রযুক্তি ‘সনিক’ চালু হয়েছে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজে। এই প্রযুক্তি ডিআরএসের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে। বল ব্যাটে লেগেছে নাকি, সেটাই শব্দের তারতম্য দেখে বিশ্লেষণ করে জানা যাবে। প্রথমবারের জন্য ক্রিকেটে এই প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
ক্রিকেটে চলে এল আল্ট্রা-এজের বিকল্প নতুন প্রযুক্তি!
মূলত ব্যাটে বলের স্পর্শ লেগেছে নাকি, তা বুঝতে ব্যবহার করা হয় ডিআরএসে আল্ট্রা-এজ প্রযুক্তি। কিন্তু যদি ব্যাট আর প্যাড অনেক কাছাকাছি থাকে, তবে অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়। এমতাবস্থায় সহায়তা করবে ‘সনিক’ প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে তৃতীয় আম্পায়ার স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারবেন, প্রথমে বল ব্যাটে লেগেছে, নাকি প্যাডে লেগেছে।
‘ভার্চুয়াল আই’-এর উদ্যোগে তৈরি 'সনিক'!
আইসিসি-র সাথে আলোচনা করে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে ‘ভার্চুয়াল আই’। সংস্থাটি ২০০৮ সাল থেকে আইসিসির বল-ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সাথে সংযুক্ত রয়েছে। এই প্রযুক্তি নিউজ়িল্যান্ডে তৈরি। বাস্তবায়নের ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও সহায়তা করেছে। পরীক্ষামূলক ব্যবহার করে অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতিকে আরও সরল করার সম্ভাবনা দেখা গেছে।
আরো পড়ুন: সঞ্জু-নমনের কেরামতিতে নতুন 'শক্তি' পেল ভারতীয় দল!
মূল লক্ষ্য ডিআরএসে স্বচ্ছতা বাড়ানো:
‘ভার্চুয়াল আই’-এর সিইও বেন টেলর জানান, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এই প্রযুক্তি। ডিআরএসের ব্যাপারে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও আম্পায়ারদের নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করাই হলো আসল উদ্দেশ্য। প্রযুক্তিটি ইতিমধ্যেই পরীক্ষা করা হয়েছে।
অনুমতি মিলেই বাড়বে নয়া প্রযুক্তির ব্যবহার:
আপাতত ‘সনিক’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ে। আগামীতে এই প্রযুক্তি অন্যান্য আন্তর্জাতিক সিরিজ় সহ প্রতিযোগিতায় চালু করতে আইসিসির লাগবে। এই নতুন প্রযুক্তি ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের নির্ভুলতা বৃদ্ধির ব্যাপারে আগামীযে কতটা কার্যকর হবে, সেটাই দেখার।