RCB পরিবার থেকে দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্ক শেষ করে অবসর নিয়ে নিলেন এই সদস্য, আবেগপ্রবণ হয়ে গেলেন কোহলিও!
১৮ বছরের সম্পর্কে ইতি! আরসিবি তে সফর শেষ করলেন ওই দলেরই প্রধান ফিজিও ইভান স্পিচলি। বেঙ্গালুরু সমস্ত সাফল্য আর ব্যর্থতার সঙ্গে দীর্ঘ ২০০৮ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত জড়িয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে আরসিবিতে সফর শেষ করলেন ইভান স্পিচলি। তাঁর বিদায়ে বিরাট কোহলি ভাষণ দিতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তাঁর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক ছিল কোহলির?

১৮ বছরের সম্পর্কে ইতি! আরসিবি তে সফর শেষ করলেন ওই দলেরই প্রধান ফিজিও ইভান স্পিচলি। বেঙ্গালুরু সমস্ত সাফল্য আর ব্যর্থতার সঙ্গে দীর্ঘ ২০০৮ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত জড়িয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে আরসিবিতে সফর শেষ করলেন ইভান স্পিচলি। তাঁর বিদায়ে বিরাট কোহলি ভাষণ দিতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
স্পিচলির বিদায়ে আবেগী ভাষণ বিরাট কোহলির!
১৮ বছরের সম্পর্কে ইতি! আরসিবি তে সফর শেষ করলেন ওই দলেরই প্রধান ফিজিও ইভান স্পিচলি। বেঙ্গালুরু সমস্ত সাফল্য আর ব্যর্থতার সঙ্গে দীর্ঘ ২০০৮ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত জড়িয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে আরসিবিতে সফর শেষ করলেন ইভান স্পিচলি। তাঁর বিদায়ে বিরাট কোহলি ভাষণ দিতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন- আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে!
তবে, গতবছরই ইভান স্পিচলি সরে গিয়েছিলেন। আইপিএলের চলতি মরশুমের মাঝেই বিশেষ বিদায়ী অনুষ্ঠানে তিনি ভারতে এসেছেন। আরসিবির সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্কই ছিল ইভান স্পিচলির। এদিনের বক্তৃতায় সেই কথাই মনে করিয়ে দিলেন কোহলি। কোহলি বলেন, “আরসিবিতে আমি মনে হয় , সবচেয়ে বেশি সময় আপনার সাথেই কাটিয়েছি। পুরনো মুখগুলোর মধ্যে আপনি অন্যতম। পরিশ্রম আর পেশাদারিত্ব অবশ্যই আছে। তবে আমার সঙ্গে সব সময় থেকে যাবে আপনার যত্ন আর সততা। সব সময় আমাদের পরিবারের সদস্য হয়েই থাকবেন আপনি"।
বিদায়ী অনুষ্ঠানে স্পিচলির প্রাপ্ত উপহার!
দীর্ঘ দুই দশক ধরে নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন স্পিচলি। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এদিন আয়োজিত বিদায়ী অনুষ্ঠানে একটি ঘড়ি উপহার স্বরূপ তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে।
স্পিচলির মন্তব্য:
বিদায়ের অনুষ্ঠানে অভিভূত স্পিচলি জানান, “গতকাল হোটেলে যখন ঢুকলাম, যেন ঘরে ফিরে এলাম বলে মনে হচ্ছিল। এখানে আমাদের অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে রয়েছি। সব সময় আরসিবিকে পরিবারের মতো মনে করেছি। বিশ্ব ক্রিকেটের সকলেই অন্তত একটি মরশুম এখানেই কাটাতে চাইবেন। আমি সত্যি ভাগ্যবান। কারণ, ১৮টি মরশুম আরসিবিতেই কাটাতে পেরেছি। সবসময়ই আমি নিজেকে আরসিবির অংশ হিসেবেই মনে করব।"
ট্যাগ:


