কেন অজিত আগরকরকে প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে? নেপথ্যে কারা রয়েছেন?
প্রধান নির্বাচক পদে আর থাকছেন না অজিত আগরকর। এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে ক্রিকেট মহলে। কিন্তু কেন তাঁর চুক্তি নবীকরণ করা হচ্ছে না, সেই নিয়ে নানান ধরনের আলোচনা চলছে।

প্রধান নির্বাচক পদে আর থাকছেন না অজিত আগরকর। এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে ক্রিকেট মহলে। কিন্তু কেন তাঁর চুক্তি নবীকরণ করা হচ্ছে না, সেই নিয়ে নানান ধরনের আলোচনা চলছে। জানা গিয়েছে যে, রোহিত শর্মাকে নিয়ে বোর্ডকর্তাদের সাথে মতপার্থক্য আর ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে একাধিক ব্যাপারে বিরোধ প্রশ্ন তৈরি করেছে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে।
অজিত আগরকরের চুক্তি নবীকরণ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে!
ইংল্যান্ড সিরিজের পর মুম্বাইতে দলের পার্লামেন্ট নিয়ে পর্যালোচনার জন্য বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বিসিসিআইয়ের তরফে। যদিও পারিবারিক কারণে অজিত আগরকর ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। সূত্রের খবর, তাঁর অনুপস্থিতিতে অসন্তুষ্ট হন কয়েক জন বোর্ডকর্তা। যদিও ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আগরকর দায়িত্বে থাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বোর্ডের সাম্প্রতিক বার্তায় মিলেছে নতুন মুখ আনার ইঙ্গিত।
রোহিতকে নিয়ে বোর্ডের দূরত্ব বেড়েছে আগরকরের!
ওয়ানডে থেকে রোহিত শর্মা-কে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও বোর্ডের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় আগরকরের সঙ্গে, বলে জানা যাচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আগরকর রোহিতের জায়গায় তৈরি করতে চেয়েছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল-কে। বিশ্বকাপের আগে অন্তত ২০টি ওয়ানডে ম্যাচে যশস্বীকে খেলার জন্য সুযোগ দিতে পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের।
আরো পড়ুন: 'বসবেবি'-র কাছ থেকে এই 'বিশেষ গুণ' চুরি করতে চান সূর্যকুমার যাদব!
দেবজিৎ শইকীয়ার মন্তব্যে ক্ষুব্ধ আগরকর:
তবে সূত্রের দাবি, রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে বোর্ড সচিব দেবজিৎ শইকীয়ার কিছু মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন আগরকর। তাতে বড় বড় ক্রিকেট তারকাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নির্বাচকদের ভূমিকা কী, সেই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
আগরকরের সঙ্গে মতবিরোধ লক্ষণের:
অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, আগরকরের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে ভিভিএস লক্ষ্মণের মতপার্থক্য ছিল বলে। চোট পাওয়া ক্রিকেটারদের নিয়ে ব্যবস্থাপনা, দল নির্বাচন আর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সেরা দল নামানো নিয়ে পার্থক্য দেখা দেয় দু’জনের দৃষ্টিভঙ্গিতে। এশিয়ান গেমস, ইরানি কাপ আর ভারত ‘এ’ দলের নির্বাচন নিয়েও উঠে এসেছে মতবিরোধের কথা।
সব মিলিয়ে মনে করা হচ্ছে যে, বোর্ডের সাথে দূরত্ব আর লক্ষ্মণের সঙ্গে মতপার্থক্যের জন্য অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে আগরকরের ভবিষ্যৎ। ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত থাকার ইচ্ছে প্রকাশ করলেও নতুন প্রধান নির্বাচক আনার পথে এগোচ্ছে বোর্ড—এমনই ইঙ্গিত মিলেছে।




