নিউজ

RR vs GT Highlights: রবি বিষ্ণোই ৪ উইকেট নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু শেষে রাজস্থানকে জেতাল আর্চার ও দেশপাণ্ডের দুই ওভার!

ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল শেষ দু’টি ওভার। ১২ বলে ১৫ দরকার ছিল গুজরাতের। সেই চাপের সময়ে জফ্রা আর্চার এবং তুষার দেশপাণ্ডে দিলেন ৪ রান করে। ওখানেই ম্যাচ জিতে গেল রাজস্থান। প্রশংসিত হল রিয়ানের বুদ্ধি।

Souvik Das
লিখেছেনSouvik Das
প্রকাশিত 3 মিনিট পড়া
Tushar Deshpande's perfect yorkers help RR win against GT
Tushar Deshpande's perfect yorkers help RR win against GT

চেনা পথে একেবারেই আজ হাঁটেননি রাজস্থান অধিনায়ক রিয়ান পরাগ।  গুজরাতের বিরুদ্ধে টসে জিতেও বাকি অধিনায়কদের মতো প্রথমে বোলিং নয়, ব্যাটিং নিয়েছিলেন রিয়ান। দিনের শেষে সেই সিদ্ধান্ত প্রায় ব্যর্থ হয়েই গিয়েছিল। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল শেষ দু’টি ওভার। ১২ বলে ১৫ দরকার ছিল গুজরাতের। সেই চাপের সময়ে জফ্রা আর্চার এবং তুষার দেশপাণ্ডে দিলেন ৪ রান করে। ওখানেই ম্যাচ জিতে গেল রাজস্থান। প্রশংসিত হল রিয়ানের বুদ্ধি। যশস্বী জয়সওয়াল, ধ্রুব জুরেলের ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে রাজস্থান ২১০/৬ স্কোর খাড়া করেছিল। কিন্তু ২০৪/৮ স্কোরে আটকে গেল গুজরাত। রাজস্থান জিতল ৬ রানে। আইপিএল ২০২৬-এ এই নিয়ে দ্বিতীয় বার প্রথমে ব্যাট করা দল জিতল।

RR vs GT: খেলতে পারেননি শুভমন গিল: 

আজ শনিবার পেশিতে টান ধরায় এ দিনের ম্যাচে খেলতে পারেননি শুভমন গিল। আর তাই তাঁর জায়গায় নেতৃত্ব দেন রশিদ। তিনিই জানান, কুমার কুশাগ্রের অভিষেক হচ্ছে। সেই কুশাগ্রই শুভমনের জায়গায় ওপেন করতে নামেন। তবে খুব একটা সাফল্য পাননি তিনি। তিনটি চারের সাহায্যে ১৪ বলে ১৮ করে আউট হন। এদিন বড় রান পাননি জস বাটলারও। তিনি ২৬ করে ফিরে যান। বাটলার আউট হওয়ার পর খেই হারায় গুজরাত। ৬ রানে মধ্যে ৩ উইকেট পড়ে যায় তাদের। এক সময় ১৩৩/৫ হয়ে গিয়েছিল। টিকতে পারেননি রাহুল তেওটিয়া (১২) এবং শাহরুখ খানও (১১)।

আরো পড়ুন: DC vs MI: দিল্লি পেয়ে গেছে এই 'খতরনাক' ব্যাটারকে, এই ক্রিকেটার একাই একশো!

আমাদের আপনার বিশ্বস্ত উৎস হিসাবে যোগ করুনআমাদের কভারেজ প্রথমে পেতে Google-এ Cricket Winner ফলো করুন।
★ Cricket Winner যোগ করুন

ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছিল রশিদ ও রাবাডা:

অনেকেই ভেবেছিলেন গুজরাতের আশা শেষ। কিন্তু সেখান থেকে খেলা ঘুরিয়ে দেন রশিদ ও রাবাডা। দুই বোলার মিলে রাজস্থানের বোলারদের নাভিশ্বাস তুলে দেন। যেখানে অনায়াসে ম্যাচ পকেটে পুরে ফেলার কথা, সেখানে রশিদ-রাবাডার হাতে রাজস্থানের বোলারেরা অনেকটা রান হজম করেন। দু’ওভার বাকি থাকার সময় মনে হয়েছিল ম্যাচ আর বাকি নেই। তখন ক্রিজ়ে জমে গিয়েছেন রশিদ-রাবাডা। কিন্তু আর্চারের বল খেলতে পারেননি দুই ব্যাটার। ১৯তম ওভারে একটিও চার হয়নি, যা রাজস্থানের ইনিংসে প্রথম বার ঘটে। শেষ ওভার করতে আসেন দেশপাণ্ডে। তিনি ছ’টি বলই ইয়র্কার করেন। পঞ্চম বলে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন রশিদ। শেষ বলে অশোক শর্মা ছয় মারতে পারলে ম্যাচ সুপার ওভারে যেত। এদিকে অশোক বল ব্যাটেই ঠেকাতে পারেননি।

আরো পড়ুন: DC vs MI: দিল্লি পেয়ে গেছে এই 'খতরনাক' ব্যাটারকে, এই ক্রিকেটার একাই একশো!

বৈভবের সূর্যবংশীর পারফরম্যান্স!

এ দিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান শুরুটা খারাপ করেনি। ব্যাট করতে নেমে বৈভব সূর্যবংশী মহম্মদ সিরাজের প্রথম বলেই চার মারে। সেই ওভারে আরও একটি চার আসে। আর পরের ওভারেই কাগিসো রাবাডাকেও চার মারে। কিন্তু ১৯ রানের মাথায় ক্যাচ পড়ে বৈভবের। অশোক শর্মার বলে বৈভব অফসাইডে খেলতে গিয়েছিল। অনেকটা দৌড়ে গিয়েও বল তালুবন্দি করতে পারেননি জস বাটলার। সেই বল সিরাজের বাঁচাতে গিয়ে বাউন্ডারি পার করে দেন। পরের বলেই অশোককে ছয় মারে বৈভব। পাওয়ার প্লে-তে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬৯ তুলে দেয় রাজস্থান।

কিন্তু তার পরেই ফিরতে হয় বৈভবকে। নিজের দ্বিতীয় বলেই ১৫ বছরের ক্রিকেটারকে ফেরান রশিদ খান। স্টাম্পে থাকা বল পুল করতে গিয়েছিল বৈভব। মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ নেন গ্লেন ফিলিপস। পাঁচটি চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ১৮ বলে ৩১ করে বৈভব।

তবে রাজস্থানের রান রেট তাতে কমেনি। যশস্বীর সঙ্গে জুটি বেধে গুজরাতের বোলারদের চাপে ফেলে দেন জুরেল। শনিবার চলতি আইপিএলে প্রথম অর্ধশতরান করলেন যশস্বী। শেষ পর্যন্ত ছ’টি চার এবং তিনটি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৫ করে ফেরেন যশস্বী। রিয়ান পরাগ (৮) ব্যর্থ। জুরেলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন শিমরন হেটমায়ার (১৮)। থামানো যাচ্ছিল না জুরেলকে। সিরাজ, রাবাডাদের মেরে তিনি ৪২ বলে ৭৫ করেন। মেরেছেন পাঁচটি চার এবং পাঁচটি ছয়। শেষের দিকে অনেকগুলি বল খেলে দেন রবীন্দ্র জাডেজা। সেই অনুযায়ী রান ওঠেনি। যদিও একথা একদম সত্যি যে রানই জিতিয়ে দিল রাজস্থানকে।

আমাদের অনুসরণ করুন9M+ fans across platforms

লেখক সম্পর্কে

Souvik Das
লিখেছেন

Souvik Das

editor · 866 নিবন্ধ

বিগত ৪ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতার সাথে লেখালেখি করেছি। কলমের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই লেখালেখির দুনিয়ায় মূলত পা রাখা। ক্রিকেটের একজন অন্ধ ভক্ত। এর আগেও আমি বহু চ্যানেলে লেখালেখি করেছি। যেখানে প্রতিটি জায়গায় আমি আমার লেখা দিয়ে খেলাধুলার আবেগ, উত্তেজনা এবং বিশ্লেষণ পাঠকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

“

বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা আমার কাজ নয়

রোহিত শর্মা, ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডকে শিরোপা দেওয়া নিয়ে প্রশ্নে