Jio-তে বাজিমাত করার পর এবার ক্রিকেটের ময়দানেও 'ছক্কা' হাঁকাল আম্বানি, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স নতুন রেকর্ড গড়ল
টেলিকম আর ডিজিটাল পরিষেবার পর ক্রিকেটের মাঠে ব্যবসায়িক সফলতার বড় নজির মুকেশ আম্বানির গোষ্ঠীর। পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দেওয়া হয়েছে ২.১ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৬ সালের স্পোর্টিকোর মূল্যায়ন অনুসারে, এই মুহূর্তে আইপিএলে সবথেকে মূল্যবান দল হল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

টেলিকম আর ডিজিটাল পরিষেবার পর ক্রিকেটের মাঠে ব্যবসায়িক সফলতার বড় নজির মুকেশ আম্বানির গোষ্ঠীর। পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স-এর দাম বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দেওয়া হয়েছে ২.১ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৬ সালের স্পোর্টিকোর মূল্যায়ন অনুসারে, এই মুহূর্তে আইপিএলে সবথেকে মূল্যবান দল হল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাই বলাই যায়, সারা দেশের মধ্যে ক্রিকেট ব্যবসায় আম্বানিদের প্রভাব প্রকাশে এলো আরো একবার।
কী বলছে স্পোর্টিকোর রিপোর্ট?
২০২৬ সালের রিপোর্টে স্পোর্টিকো উল্লেখ করেছে যে, এই মুহূর্তে সারা দেশে আইপিএল দল গুলির মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে ২.১ বিলিয়ন ডলারের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১.৮৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে দুই নম্বরে আছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ১.৭৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তিন নম্বরে চেন্নাই সুপার কিংস।
প্রসঙ্গত, ২০০৮-এ রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ ১১ কোটি ১৯ লক্ষ ডলার মূল্যে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মালিকানা ক্রয় করে। তৎকালীন সময়ে আটটি মূল দলের মধ্যে সব থেকে বেশি দাম ওঠে মুম্বাইয়ের। তবে দলটির বর্তমান মূল্য প্রাথমিক ক্রয় মূল্যের থেকে প্রায় ১৯ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। পরবর্তী সিজনে উনিশ বছর পর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সির সহযোগী হিসেবে ফিরছে নাইকি।
১৮ বছরে আইপিএলের নজরকাড়া মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে!
তবে শুধুমাত্র মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সই নয়, আইপিএলের আর্থিক মূল্য গত কয়েক বছরের বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৮-এ ৮টি দল প্রতিযোগিতায় মোট ৭২.৩৬ কোটি ডলারে বিক্রি হয়। এখন আইপিএলের দশটি দলের মোট মূল্য প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১.৭ লক্ষ কোটি টাকা।
স্পোর্টিকোর হিসেব বলছে, ২০২৬ সিজনে আইপিএলে গড়ে প্রায় ৭ কোটি ৪৪ লক্ষ ডলার আয় করেছে একটি দল। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির এই আর্থিক উন্নতি হয়েছে তাদের স্পনসরশিপ, সম্প্রচার স্বত্ব, টিকিট বিক্রি আর দলগুলির জনপ্রিয়তা থেকে।
বিরাট মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে রাজস্থান ও কলকাতার দলেও!
২০০৮ সালে থেকে কম মূল্যে ক্রয় করা কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল্যও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বর্তমানে। ৬ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার দিয়ে ক্রয় করা রাজস্থান রয়্যালসের প্রাথমিক ক্রয়মূল্যের প্রায় ২৫ গুণ বর্তমান মূল্য। আবার, কেকেআরের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২৩ গুণ। ১৬.৬ গুণ বেড়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মূল্য। তাই আইপিএল যে শুধুমাত্র ক্রিকেট প্রতিযোগিতা এমনটা নয়। ব্যবসায়িক লাভ ক্ষতির অঙ্ক এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুন: পোলার্ড আসতেই আ্যাকশন শুরু! হার্দিকের মুম্বাই ছাড়া এখন ৯০ শতাংশ নিশ্চিত!




