‘আমার উপর ভরসা নেই’, এবার নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে দিলেন রবীন্দ্র জাডেজা, জানেন কেন?
ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের মধ্যেই এবার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে টিম ইন্ডিয়ার অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজা নিজের ক্ষোভ আর হতাশা প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দলে লোয়ার অর্ডারে ব্যাট করার জন্য, প্রভাব পড়ছে তার আত্মবিশ্বাসে।

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের মধ্যেই এবার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে টিম ইন্ডিয়া-র অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজা নিজের ক্ষোভ আর হতাশা প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দলে লোয়ার অর্ডারে ব্যাট করার জন্য, প্রভাব পড়ছে তার আত্মবিশ্বাসে। এমনকি নিজের ব্যাটিং দক্ষতার উপর দলের আস্থা আছে কিনা সেই নিয়েও প্রশ্ন জেগেছিল বলে জানান তিনি।
নিজের পছন্দের ব্যাটিং অর্ডারে খেলতে পারেননি রবীন্দ্র জাডেজা!
সম্প্রচারকারী চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জাডেজা জানান, ক্রিকেটজীবনের শুরুতে চার নম্বরে ব্যাট করতেন তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটের সাথে আশেপাশে ছিল তাঁর ব্যাটিং গড়। এই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের ব্যাটিং নিয়ে তিনি বরাবর আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি। কিন্তু ভারতীয় দলে আসার পর থেকে জাডেজা নিয়মিত সুযোগ পাননি নিজের পছন্দের ব্যাটিং অর্ডারে।
লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করতে নেমে আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলছে!
জাডেজা বলেন, বহু সময় সাত, আট কিংবা নয় নম্বরে ব্যাট করতে হয়েছে তাঁকে। অনেক সময় প্যাড পরে তাঁকে সাজঘরে বসে থাকতে হয়েছে। তখন উইকেটে থাকা ব্যাটারদের বিপক্ষে বোলারদের পরিকল্পনা দেখে তিনি মনে করতেন, আর বেশি সময় দলের ব্যাট করার দরকার নেই। ধীরে ধীরে এই পরিস্থিতি প্রভাব ফেলছে তাঁর আত্মবিশ্বাসে।
কখনো কোন কোচ বা অধিনায়ককে দায়ী করেননি জাডেজা:
জাডেজা আরও জানান, বোলারদের পছন্দমতো বল বেছে নিতে দেখে তাঁর মনে প্রশ্ন অস্ত্র—সত্যিই কি দল তাঁর ব্যাটিংয়ের উপর ভরসা করে? নিয়মিত লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করার কারণে বড় রান তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে তাঁর। এই নিয়ে একটা সময় ভীষণ বিরক্ত হতেন তিনি। কিন্তু তার জন্য কোনও নির্দিষ্ট কোচ বা অধিনায়ককে কোনো ভাবেই দায়ী করেননি তিনি। বরং তিনি নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এখন টেস্ট ক্রিকেটজীবনের শেষ অধ্যায়ে আছেন ৩৭ বছর বয়সী জাডেজা। শ্রীলঙ্কা-র বিপক্ষে সিরিজের পর টেস্ট ক্রিকেট থেকে তিনি অবসর নিতে পারেন বলেও অনেক জল্পনা রয়েছে। ভারতের হয়ে তিনি ৮৯টি টেস্টে চার হাজারের বেশি রান করেছেন। দীর্ঘদিন বল হাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের হয়ে ২১০টি ওয়ানডে ম্যাচ ও ৭৪টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন সৌরাষ্ট্রের এই তারকা অলরাউন্ডার। ক্রিকেটজীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাঁর আক্ষেপ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটে।
আরো পড়ুন: ভারতীয় শিবিরের জন্য বড় দুঃসংবাদ! এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকেই গেলেন এই 'মহাতারকা'!




