সচিনের প্রিয় খাবার মায়ের হাতের 'কোলম্বি ভাজা', কীভাবে রান্না করতে হয় এই খাবার?
গরম গরম ভাতের সাথে কোলম্বি ভাজা থাকলে আর কিছু প্রয়োজন নেই সচিন তেন্ডুলকারের। পাশাপাশি একটু আলুর তরকারি হলে যথেষ্ট। এই দুটো পথ থাকলেই দুপুর আর রাতের খাওয়াটা রীতিমতো জমে যায় ক্রিকেটের ঈশ্বরের।

গরম গরম ভাতের সাথে কোলম্বি ভাজা থাকলে আর কিছু প্রয়োজন নেই সচিন তেন্ডুলকার-এর। পাশাপাশি একটু আলুর তরকারি হলে যথেষ্ট। এই দুটো পথ থাকলেই দুপুর আর রাতের খাওয়াটা রীতিমতো জমে যায় ক্রিকেটের ঈশ্বরের। সচিন হলেন বেশ ভোজনরসিক মানুষ। তিনি খেতে ভালবাসার পাশাপাশি খাওয়াতেও ভালবাসেন। নিজে রান্না বান্না করতেও ভালোই পারেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ছোটবেলাকার যে সকল স্মৃতি গুলি এখনো পর্যন্ত তার কাছে অমলিন, একটি হলো মায়ের হাতে তৈরি গরম গরম কোলম্বি ভাজা। এই খাবার খাওয়ার জন্য তিনি রীতিমত উদগ্রীব হয়ে থাকতেন
স্মৃতিচারণ করলেন সচিন তেন্ডুলকার!
স্মৃতি ঝুলি হাতড়ে সচিন বলে, দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলার কারণে বিদেশে থাকতেন তিনি। বাড়ি ফেরার দিন দুই তিন আগে মাকে ফোন করে তিনি নিজের পছন্দসই মেনু রান্নাবান্না করে রাখতে বলতেন। তাতে অবশ্যই থাকতো কোলম্বি ভাজা। দীর্ঘদিনের ক্রিকেট সফর শেষ করে বাড়িতে এসেই মায়ের হাতে তৈরি গরম গরম কোলম্বি ভাজা খেলেই কেটে যেত তাঁর ক্লান্তি। এমনকি মনও চাঙ্গা হয়ে উঠত তাঁর। আসলে মরাঠী ভাষায় কোলম্বি মানে হল চিংড়ি। ঝাল ঝাল করে রান্না করা চিংড়ি মাছের সাথে ভাত ডাল আর সঙ্গে বাতাতা ভাজি সচিনের কাছে।
চিংড়ির এই পদ কেমন ভাবে প্রস্তুত করা হয়?
এই পদটি মহারাষ্ট্রের মুম্বই উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ির খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। বাঙালিদের চিংড়ির তৈরি মালাইকারির মতো করিয়ে মারাঠীদের ভীষণ পছন্দের পদ হল কোলম্বি কারি, যাকে কোলম্বি ভাজিও বলা হয়। এটা তৈরি করা বেশ সহজ।
তাহলে এখনই জেনে নিন কোলম্বি ভাজির এই রেসিপি:
কোলম্বি ভাজা রান্নায় কী কী লাগবে?
- চিংড়ি ২৫০ গ্রাম
- পেঁয়াজকুচি ১টি
- বড় সাইজের টম্যাটো কুচি ১টি
- আদা-রসুনবাটা ১ টেবিলচামচ
- হলুদ ও লঙ্কার গুঁড়ো পরিমাণমতো
- গরমমশলা
- ১ চা-চামচ ধনেপাতাকুচি
- নুন আর সর্ষের তেল স্বাদমতো
আরো পড়ুন: Abhishek Sharma: ৩৫ বলেই দুর্ধর্ষ সেঞ্চুরি, নিউজিল্যান্ডকে ধরাশায়ী করে সিরিজ জয় করে নিল ভারত!
রান্নার প্রক্রিয়া:
প্রথমেই চিংড়িতে সামান্য হলুদ আর নুন মাখিয়ে হালকা করে তোলে ভেজে নিয়ে তুলে নিন। পেঁয়াজকুচি ওই তেলেই দিয়ে সোনালি করে ভাজুন। এবার আদা-রসুনবাটা দিন। কাঁচা গন্ধ চলে যাওয়া পর্যন্ত মশলা কষে নিন। তারপর কুচানো টম্যাটো আর সময় গুঁড়ো মশলা অর্থাৎ হলুদ, লঙ্কা, আর গরমমশলা দিয়ে খুব ভালো করে মশলা কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল ছাড়লে তাতে কবে থেকে ভেজে রাখার চিংড়ি মাছগুলি দিয়ে দিন। এরপর মশলার সাথে চিংড়ি মাছগুলিকে ভালো করে মিশিয়ে নিন। অল্প একটু জল দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন। তরকারি মাখা মাখা হয়ে এলে আজ বন্ধ করে নামিয়ে নিন। উপর থেকে কিছুটা ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন।




