মহাদেবের ত্রিশূল আর ডমরুর আদলে তৈরি হচ্ছে বিরাট স্টেডিয়াম, বারাণসীর এই স্টেডিয়ামে আর কোন চমক থাকছে?
ক্রিকেটের নতুন ঠিকানা মহাদেবের শহরে! দেবাদিদেব মহাদেবের নানা প্রতীক স্টেডিয়ামজুড়ে। গোটা কাঠামো বেলপাতার আদলে, ফ্লাডলাইট ত্রিশূল আকৃতির, আর দর্শকাসন গঙ্গার ঘাটের মতো। সত্যিই অনন্য বারাণসীর নতুন ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

ক্রিকেটের নতুন ঠিকানা মহাদেবের শহরে! দেবাদিদেব মহাদেবের নানা প্রতীক স্টেডিয়ামজুড়ে। গোটা কাঠামো বেলপাতার আদলে, ফ্লাডলাইট ত্রিশূল আকৃতির, আর দর্শকাসন গঙ্গার ঘাটের মতো। সত্যিই অনন্য বারাণসীর নতুন ক্রিকেট স্টেডিয়াম। নির্মাণ কাজ শেষ হলেও বিসিসিআইয়ের ছাড়পত্র এখনো না মেলায় স্টেডিয়াম ব্যবহারের সুযোগ হয়নি। সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে পরিদর্শনের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে পারে।
বারাণসীতে স্টেডিয়ামের নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে বিগত তিন বছরে!
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শিলান্যাস করেন এই স্টেডিয়ামের। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। উপস্থিত ছিলেন কপিল দেব, সুনীল গাভাসকর, শচীন তেন্ডুলকর আর রবি শাস্ত্রীদের মতো তারকা ক্রিকেটাররাও। তৎকালীন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট রজার বিনি ও সচিব জয় শাহ উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআইয়ের পর্যবেক্ষকরা!
এই স্টেডিয়াম প্রায় ৩১ একর জমির উপর নির্মিত। ৪৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে নির্মাণে। নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে মাত্র তিন বছরের মধ্যে। এই স্টেডিয়াম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের পরিকাঠামো উপযুক্ত কি না, সেটা খতিয়ে দেখার দায়িত্বে রয়েছে বিসিসিআইয়ের পর্যবেক্ষক দল।
স্টেডিয়ামজুড়ে রয়েছে দেবাদিদেব মহাদেবের ছোঁয়া:
কাশী আর শিবের বিশেষ ছাপ দেখা যাবে বারাণসীর এই স্টেডিয়ামের স্থাপত্যে। দূর থেকে এই স্টেডিয়ামকে দেখলে মনে হবে মহাদেবের মাথার অর্ধচন্দ্রের যেন প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। পুরো কাঠামো বেল পাতার আদলে তৈরি করা হয়েছে। বেলপাতার নকশা রাখা হয়েছে প্রবেশদ্বারেও। একই সঙ্গে ফ্লাডলাইট তৈরি করা হয়েছে ত্রিশূলের আকারে। প্রায় ৩০ হাজার দর্শকের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে স্টেডিয়ামে। গঙ্গার ঘাটের আদর চোখে পড়বে দর্শকাসনেও।
আরো পড়ুন: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক কি মুক্তি পাবে না? মুক্তির আগেই আদালতের জটিলতায় পড়ল 'দুসরা' ছবি!
কবে থেকে এই স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচ?
প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় যে, এই স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয়ে যেতে পারে ২০২৬ সালের আগে থেকেই। কিন্তু তা হয়নি। বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। এবার দ্রুত ম্যাচ শুরু করার জন্য তৎপর হয়েছে উত্তরপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থা।
বিসিসিআইয়ের অনুমতি পেলে প্রথমে আয়োজিত হতে পারে অনূর্ধ্ব-১৯ স্তরের ম্যাচ। একই সঙ্গে আগামী সিজনের মহিলাদের আইপিএল আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার।
বোর্ড যদি ছাড়পত্র দেয় তবে কানপুরের গ্রিন পার্ক আর লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামের পর তৃতীয় আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাবে উত্তরপ্রদেশ। এবার বিসিসিআইয়ের পরিদর্শন আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপরেই আশা রাখছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
আরো পড়ুন: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে 'এন্ট্রি' হতে পারে বৈভব সূর্যবংশীর, ইশানের চোটই কি এই সুযোগ করে দিল?




