'বেঙ্গালুরু আমার জীবন বদলে দিয়েছে', আরসিবি ফ্যানেদের ভালোবাসায় আবেগঘন এবি ডি ভিলিয়ার্স!
বেঙ্গালুরু জীবন বদলে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্সের। তাঁকে বেঙ্গালুরুর মানুষের ভালোবাসা আর সমর্থন এমন অনুভূতি দিয়েছে, তাতে ছোটবেলার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পেয়েছে। কেন একথা বললেন তিনি?

বেঙ্গালুরু জীবন বদলে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-র কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্সের। তাঁকে বেঙ্গালুরুর মানুষের ভালোবাসা আর সমর্থন এমন অনুভূতি দিয়েছে, তাতে ছোটবেলার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পেয়েছে।
কী জানালেন এবি ডি ভিলিয়ার্স?
একটি সাক্ষাৎকারে ডি ভিলিয়ার্স জানান, "আমার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের শহর হল বেঙ্গালুরু। আমার জীবন বদলে দিয়েছে এই শহরই। তাই এই শহর সবসময় বিশেষ হয়ে থাকবে আমার কাছে।"
আরসিবির জন্য আইপিএল ট্রফি জেতা হয়নি!
দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজি ছেড়ে ২০১১ সালে আরসিবিতে যোগ দেন ডি ভিলিয়ার্স। তারপর টানা ১১ বছর ধরে বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলেন তিনি। বিরাট কোহলির সঙ্গে আইপিএলের অন্যতম সেরা ব্যাটিং জুটি তিনি গড়ে তোলেন। তবে, আরসিবির জন্য আইপিএল ট্রফি জেতা হয়ে ওঠেনি। তবুও তিনি স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন দলের সমর্থকদের হৃদয়ে।
আরসিবির ঘরের মানুষ ডি ভিলিয়ার্স:
ডি ভিলিয়ার্স জানান, আরসিবিতে দোগদান করার পর থেকেই তিনি নিজেকে ঘরের মানুষ বলে ভাবতেন। তাঁর কথায়, "বেঙ্গালুরু একটি অসাধারণ শহর। এখানে আসার পর থেকেই খুব দ্রুত মনে হচ্ছিল, নিজের বাড়িতেই আমি আছি। খুব কম সময়ের মধ্যেই আমাকে আপন করে নিয়েছিলেন সমর্থকরা।" প্রথমবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে নিজের নামে হাজার হাজার দর্শকের গলা ফাটিয়ে চিৎকারের সেই মুহূর্ত তিনি আজও ভোলেননি।
আরো পড়ুন: হার্ড লেংথের সামনে আবারও অসহায় ভারত, বিদেশের মাটিতে পুরনো দুর্বলতাই কি ডুবিয়ে দিল দলকে?
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, "যখন প্রথমবার দর্শকেরা আমার নাম ধরে স্লোগান দিতে শুরু করলেন, তখন মনে হয়েছিল ছোটবেলার স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেছে। ছয়-সাত বছর বয়সে বাড়ির গ্যারেজে টেনিস বল মেরে কল্পনা করতাম, একদিন হাজার হাজার দর্শকের সামনে খেলব। সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল, এটাই তো আমি সারাজীবন স্বপ্ন দেখেছি।"
তিনি জানান, বেঙ্গালুরুর সঙ্গে তো বটেই , গোটা ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে বিশেষ করে ২০১৫ এবং ২০১৬ সাল নাগাদ। অবসরের পরেও তাঁকে ভালোবাসেন আরসিবি সমর্থকরা।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভিলিয়ার্স বলেন, "যেভাবেই এই সম্পর্ক তৈরি হোক না কেন, নিজেকে আমি সৌভাগ্যবান বলে মনে করি। বেঙ্গালুরুর মানুষ ও সারা ভারতের সাথে বন্ধন তৈরি হয়েছে, সেটা সারাজীবন অমলিন হয়ে থাকবে আমার হৃদয়ে।"
আরো পড়ুন: দুর্ধর্ষ খেললেন রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে অন্বয়, কিন্তু তা আর কাজে এল না, হারতে হল শ্রীলঙ্কার কাছে!




