Sunil Gavasker Fitness at the age of 77: ৭৭ বছরে এসেও এতটা এনার্জেটিক কীভাবে? ফাঁস হয়ে গেল সুনীল গাওস্করের ফিট থাকার রহস্য!
খেলা থেকে সুনীল গাওস্কর অবসর নিয়েছেন বহু আগেই। তবে, আজও অটুট ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। অন্যতম জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও ভীষণ ব্যস্ত সুনীল গাওস্কর। আইপিএল থেকে শুরু করে ভারতের আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কমেন্ট্রি বক্সে সর্বত্রই তাঁর উপস্থিতি বিশেষ আকর্ষণ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।

খেলা থেকে সুনীল গাওস্কর অবসর নিয়েছেন বহু আগেই। তবে, আজও অটুট ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। অন্যতম জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও ভীষণ ব্যস্ত সুনীল গাওস্কর। আইপিএল থেকে শুরু করে ভারতের আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কমেন্ট্রি বক্সে সর্বত্রই তাঁর উপস্থিতি বিশেষ আকর্ষণ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে। ৭৭ বছরে পদার্পণ করেও অবিশ্বাস্য কর্মক্ষমতা আর ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক ফিটনেস ধরে রেখেছেন।
সুনীল গাওস্করের কাছে বয়স শুধুই সংখ্যামাত্র!
বয়স যে শুধুই একটি সংখ্যামাত্র, সেকথা প্রমাণ করে দিয়েছেন সুনীল গাওস্কর। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কমেন্ট্রি করার পরও তাঁর মধ্যে ক্লান্তির ছাপ দেখা যায় না। দেশ-বিদেশে নিয়মিত সফর, ব্যস্ত কর্মসূচি— সবকিছুর মধ্যেও কীভাবে এতটা সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকেন তিনি? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে তাঁর কঠোর নিয়মশৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনে।
নিয়ম নেমে জীবনযাপনই আদর্শ উপায় সুস্থ থাকার!
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে গাওস্কর নিজেই জানিয়েছেন, পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটাচলা আর মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখাই হল সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হল। তিনি ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পরেও নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন নিজের ওজন। প্রতিদিন যোগাসন আর প্রাণায়ামকে তিনি জীবনের অপরিহার্য অংশ করে নিয়েছেন।
আরও পড়ুন- উইম্বলডনে বৈভবের নিউ লুক দেখে হইচই সোস্যাল মিডিয়ায়!
নিয়মিত সিদ্ধাসন করেন করেন সুনীল গাওস্কর:
সূর্য নমস্কারের মধ্য দিয়ে সকালের ব্যায়ামের অন্যতম প্রধান অংশ। শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখার জন্য, পেশির নমনীয়তা বৃদ্ধি করতে ও হৃদ্যন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এই যোগাভ্যাস। তিনি সূর্য নমস্কারের পর নিয়মিত সিদ্ধাসন করেন। মনে করা হয়, এতে মন শান্ত হয় ও মানসিক চাপ কমাতে খুবই কার্যকর।
নিয়মিত ভুজঙ্গাসন অনুশীলন করেন গাওস্কর:
দীর্ঘ সময় ধরে কমেন্ট্রি বক্সে বসে থাকার জন্য পিঠ আর কোমরের উপর যে ভীষণ চাপ পড়ে, সেই চাপ কমাতে নিয়মিত ভুজঙ্গাসন অনুশীলন করেন গাওস্কর। পিঠ ও কোমরের পেশিতে এই আসনের মধ্য দিয়ে ভালো ভাবে স্ট্রেচিং হয়, যার ফলে ব্যথা কিংবা অস্বস্তি অনেকখানি কমে।
একইসঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম কিংবা প্রাণায়ামও জায়গা পেয়েছে তাঁর দৈনন্দিন রুটিনে। বিশেষত নাড়ি শোধনের প্রাণায়াম নিয়মিত অনুশীলন করে থাকেন তিনি। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই প্রাণায়াম। মনোসংযোগ উন্নত করার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতেও সহায়ক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বয়স যতই বাড়ুক,আদর্শ জীবনযাপনই দীর্ঘদিন সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকার আসল উপায়।




