'... আমার কোচ আমায় তাড়াতে চেয়েছিল!' মহম্মদ শামির প্রসঙ্গ টেনে এ কী বলে ফেললেন উমেশ যাদব!
চোট কাটিয়ে কামব্যাক করে মহম্মদ শামি যে সমর্থন বাংলার থেকে পেয়েছেন, বিদর্ভে উমেশ যাদবের অভিজ্ঞতা পুরো উল্টো। দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্ক শেষ করে ২০২৬-২৭ সিজনে বিদর্ভ ছেড়ে ভারতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার পাঞ্জাবে যোগ দিয়েছেন।

চোট কাটিয়ে কামব্যাক করে মহম্মদ শামি যে সমর্থন বাংলার থেকে পেয়েছেন, বিদর্ভে উমেশ যাদব-এর অভিজ্ঞতা পুরো উল্টো। দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্ক শেষ করে ২০২৬-২৭ সিজনে বিদর্ভ ছেড়ে ভারতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার পাঞ্জাবে যোগ দিয়েছেন। নিজের দল ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানাতে গিয়ে উমেশ তাঁকে পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করলেন বিদর্ভের প্রাক্তন কোচের বিরুদ্ধে। এমনকি বেসিসিআইয়ের কাছেও নিজের স্পষ্ট অবস্থান জানানোর দাবি করেন তিনি।
শামির খারাপ সময়ে পাশে আছেন অনেকেই, কিন্তু উমেশের পাশে নেই কেউ!
২০০৮ সালে বিদর্ভের হয়ে উমেশ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক করেন। তবে কেরিয়ারের শেষের দিকে এসে দল ছাড়েন তিনি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর অ্যাকিলিস টেন্ডনের ছিঁড়ে গিয়েছিল প্রায় ৫০ শতাংশ। অস্ত্রোপচার করে গ্রাফটিং করে জোড়া লাগাতে হয় টেন্ডন। তারপর মাঠে ফেরার পূর্বে প্রায় এক বছর ধরে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন।
শামির মত সমর্থন পাননি উমেশ:
এদিকে চোট থেকে কামব্যাক করে মহম্মদ শামি পূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন বাংলার কাছ থেকে, দাবি উমেশের। তাঁর কথায়, নিজের রাজ্যে তেমন সহযোগিতা না মেলার কারণে লড়াই কঠিন হয়ে গিয়েছিল তাঁর জন্য।
প্রাক্তন কোচের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুললেন পেসার!
উমেশ অভিযোগ করেন, চোট কাটিয়ে ফেরার পর তাঁকে দলে না নিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বিদর্ভ থেকে। তিনি বলেন, দলের সেই সময়কার একমাত্র অবশিষ্ট সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে তাঁকে বাদ দিতে পারলে বাড়বে কোচের প্রভাব। সেই জন্যই দল ছেড়েছেন বলে জানান অভিজ্ঞ পেসার।
আরো পড়ুন: চতুর্থ টি-২০তে কেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল ভারতীয় শিবির? কোন কারণকে দায়ী করলেন শ্রেয়স?
বয়স নয়, ফিটনেস কেই গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে উমেশ:
শেষবার ২০২৩ সালে ভারতের হয়ে উমেশ টেস্ট খেলেছেন। দেশের হয়ে ৫৭টি টেস্ট ক্রিকেট, ৭৫টি ওডিআই ও ৯টি টি-২০ ম্যাচ খেলা এই পেসার ঘণ্টায় এখনো ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে সক্ষম। ঘরোয়া ক্রিকেটে পাঞ্জাবের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করে আবার জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। দল নির্বাচনের ব্যাপারে পারফরম্যান্স ও ফিটনেসকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
নির্বাচকদের কাছে স্বচ্ছতার দাবি করলেন উমেশ:
দলের নেওয়ার পরিকল্পনা না থাকলে তার সেই ক্রিকেটারকে সরাসরি জানানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন উমেশ। দীর্ঘদিন ধরে কাউকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখে অপেক্ষা করানো উচিত নয় মিথ্যে আশায় বাঁচিয়ে রাখার থেকে পরিষ্কারভাবে সমস্ত পরিকল্পনা জানিয়ে দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন উমেশ। রাতের ক্রিকেটাররা নিজেদের পরের পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
আরো পড়ুন: আইপিএলে 'দাদা'-র দলে এবার দুই ভূমিকায় দেখা যাবে যুবরাজ সিংকে, তাহলে কি এবার দিল্লির হাল ফিরবে?




