কেন সঞ্জু স্যামসনই সবসময় 'বলি কা বাখরা'? গম্ভীরদের দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন প্রাক্তন প্রধান নির্বাচকের!
টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে টি-২০ দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতা নিয়ে এখনই কঠোর সমালোচনার কোন প্রয়োজন নেই বলে জানালেন ভারতের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ। তিনি মনে করেন, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফরে দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ডিয়া আর জসপ্রীত বুমরাহকে ছাড়াই ভারত খেলেছে। তাই এমন ফলাফলের জন্য কোচকে শুধুমাত্র দায়ী করা উচিত নয়। কেন একথা বললেন তিনি?

টিম ইন্ডিয়া-র হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে টি-২০ দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতা নিয়ে এখনই কঠোর সমালোচনার কোন প্রয়োজন নেই বলে জানালেন ভারতের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ। তিনি মনে করেন, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফরে দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ডিয়া আর জসপ্রীত বুমরাহকে ছাড়াই ভারত খেলেছে। তাই এমন ফলাফলের জন্য কোচকে শুধুমাত্র দায়ী করা উচিত নয়।
দল ভালো খেলুক বা খারাপ, সব সময় দায় কোচের নয়!
এক সাক্ষাৎকারে এমএসকে প্রসাদ বলেন, “দল ভালো না খেললে শুধুমাত্র কোচকে দোষী করা যায়না। আবার দল জেতা মানেই শুধু কোচের কৃতিত্ব নয়। একটি দলের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার পিছনে আরও অনেক বিষয় কাজ করে। গৌতম গম্ভীরকে বিচার করার সময় এখনও আসেনি।” তিনি জানান, বুমরাহ আর হার্দিক পাণ্ডিয়াকে নিয়ে যখন পূর্ণ শক্তির ভারতীয় দল পরবর্তী টি-২০ সিরিজ খেলবে, তখন কোচ আর অধিনায়কের পারফরম্যান্সকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যাবে।
স্যামসনকে বাদ দেওয়ায় বড় ভুল হয়েছে : প্রসাদ
তবে দল থেকে সঞ্জু স্যামসনকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন এমএসকে প্রসাদ। তিনি বলেন, মাত্র দুই তিনটি ম্যাচে রান না পাওয়ায় সঞ্জুকে বাদ দেওয়ায় বড় ভুল হয়েছে।
প্রসাদ বলেন, “সঞ্জু স্যামসনের উপরেই সব সময় কেন কোপ নেমে আসে? ইংল্যান্ডের পরিবেশে সঞ্জু অন্যতম সেরা ব্যাটার। শক্ত আর বাউন্সি উইকেটে সে দুর্দান্ত খেলতে পারে। সম্প্রতি টি-২০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল আর ফাইনালে ম্যাচ সঞ্জু জেতানো ইনিংস খেলেছে। সে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা পারফর্মার। তবুও মাত্র কয়েকটা ম্যাচে ব্যর্থতার জন্য তাঁকে বাদ দেওয়া হল।”
বৈভবকে আন্তর্জাতিক অভিষেক করানোয় আপত্তি প্রসাদের!
শুধু তাই নয়, মাত্র ১৫ বছর বয়সী ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে দল পরিচালনা কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রসাদ মনে করেন, এত কম বয়সে ইংল্যান্ডের মতো কঠিন সফরে বৈভবকে অভিষেক করানো একদম অনুচিত। প্রথমে আয়ারল্যান্ড কিংবা জিম্বাবোয়ের মতো তুলনামূলক সহজ সিরিজে তাঁকে সুযোগ দিয়ে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বৈভবকে অভ্যস্ত করানোই হল সঠিক সিদ্ধান্ত।
আরো পড়ুন: ভারত নয় ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচ হচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়!
প্রসাদ বলেন, “বৈভবের মতো এক অসাধারণ প্রতিভাকে আস্তে আস্তে তৈরি করতে হয়। প্রথমে আয়ারল্যান্ড সিরিজে ওকে খেলানো উচিত হতো। ইংল্যান্ডের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সরাসরি তাঁকে মাঠে নামানো উচিত হয়নি। এতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে প্রথম একাদশে। আর সঞ্জু অযথা চাপের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে স্যামসনকে নিয়ে।”
আইপিএল, ভারত ‘এ’ সিরিজের পর বৈভবের ওপর অতিরিক্ত চাপ:
প্রসাদের মতে, এখনও অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ ঘরোয়া সিজন বৈভবের খেলা প্রয়োজন ছিল। এত কম বয়সে আইপিএল, ভারত ‘এ’ সিরিজের পর টানা ক্রিকেট খেলায় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রসাদ।




