Cricket News

Ashirwad Sooryavanshi: বৈভব সূর্যবংশীর ১০ বছর বয়সী ভাই আশীর্বাদ একেবারে তার দাদার উল্টো! জানেন কেন?

ভারতীয় ক্রিকেটে বৈভব সূর্যবংশী মানেই একের পর এক ছক্কা চারে এক তরুণ প্রতিভার উত্তরণ। প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিচ্ছেন তিনি। এবার আর বৈভব সূর্যবংশী নয়, তাঁর জায়গায় একই পরিবারের থেকে উঠে আসছে আরও এক প্রতিভা। নাম আশীর্বাদ সূর্যবংশী, বয়স মাত্র ১০ বছর। সে আসলে বৈভবের ছোট ভাই। ইতিমধ্যেই নিজের ব্যাটিং দক্ষতা দেখিয়ে সে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

Vaibhav Suryavanshi and Ashirvad Suryavanshi
Vaibhav Suryavanshi and Ashirvad Suryavanshi

ভারতীয় ক্রিকেটে বৈভব সূর্যবংশী মানেই একের পর এক ছক্কা চারে এক তরুণ প্রতিভার উত্তরণ। প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিচ্ছেন তিনি। এবার আর বৈভব সূর্যবংশী নয়, তাঁর জায়গায় একই পরিবারের থেকে উঠে আসছে আরও এক প্রতিভা। নাম আশীর্বাদ সূর্যবংশী, বয়স মাত্র ১০ বছর। সে আসলে বৈভবের ছোট ভাই। ইতিমধ্যেই নিজের ব্যাটিং দক্ষতা দেখিয়ে সে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। 

ক্রিকেট অ্যাকাডেমি তাজপুরের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকালো বৈভবের ভাই!

আশীর্বাদ সূর্যবংশী, বিহারের তাজপুরের মতিপুর গ্রামের বাসিন্দা সে। মাত্র মাস ছয়েক আগেই সে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছে। এত অল্প সময়ের মধ্যে সব্বাইকে অবাক করে দিয়েছে আশীর্বাদ। ক্রিকেট অ্যাকাডেমি তাজপুরের হয়ে সে নিজের প্রথম অনুশীলন ম্যাচে ৮৭ বলে ১০৩ রানের করে সকলের নজরে এসেছে। তার সেঞ্চুরির ইনিংসে ছিল ২০টি চার'সহ একটি ছক্কা। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইকে নিয়ে পোস্ট বৈভবের:

বর্তমানে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিয়ে শ্রীলঙ্কায় রয়েছেন বৈভব। ভাইয়ের এমন বিস্ফোরক ইনিংসের খবর পাওয়া মাত্রই স্কোরকার্ড শেয়ার করতেই তা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর থেকেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আশীর্বাদ। 

কী জানালেন আশীর্বাদের কোচ চন্দ্র দীপ?

আশীর্বাদের কোচ চন্দ্র দীপ বলেছেন, ছেলেটি মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই ব্যাটিংয়ের মৌলিক বিষয়গুলো রপ্ত করে ফেলেছে। তিনি মনে করেন, দ্রুত শেখার ক্ষমতা রয়েছে আশীর্বাদ। ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহও সত্যিই চোখে পড়ার মতো।

বৈভবের স্বপ্ন গড়ার পিচেই শুরু আশীর্বাদের ক্রিকেট যাত্রা:

আশীর্বাদের ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়েছে বৈভবের নিজের স্বপ্ন গড়ে তোলার প্রথম মাঠে। বাড়ির পিছনে সিমেন্ট আর মাটির দুটি অনুশীলন পিচেই  আশীর্বাদ রোজ প্র্যাকটিস করে। কোচ মনে করেন, এই দুই রকম পিচে অনুশীলন করার ফলে ক্রিকেটারদের টেকনিক এবং মানসিক দৃঢ়তা আরও বেশি তৈরি হয়। 

বৈভব ও তার ভাইয়ের খেলার স্টাইলের মধ্যে বিস্তার ফারাক!

যদিও দুই ভাইয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। বৈভব বাঁহাতি ব্যাটার ও স্পিনার। অন্যদিকে আশীর্বাদ ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি মিডিয়াম পেসার। সে নিজেকে অলরাউন্ডার হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখে। কোচ মনে করেন, তার খেলার স্টাইলে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া ছবি ফুটে ওঠে।

আরো পড়ুন: BCCI: বৈভবের জন্য বদলে গেল নিয়ম? বৈভব এখন 'বাচ্চা', তাই বিশেষ ব্যবস্থা BCCI-এর!

আশীর্বাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হল দাদা বৈভব:

বড় দাদা বৈভবকেই আশীর্বাদের নিজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা বলে মনে করে। ছোট থেকেই সে  দাদার অনুশীলন খুব কাছ থেকে দেখেছে। সেখান থেকেই ক্রিকেটের প্রতি তার ভালোবাসা। এখন বৈভবের মতো কঠিন পরিশ্রম করে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাই লক্ষ্য আশীর্বাদের।

প্রিয় খাবারের দিক থেকে বৈভবের উল্টো আশীর্বাদ:

ক্রিকেটের বাইরে শট কভার ড্রাইভ পছন্দ করে আশীর্বাদ। খাবারের তালিকায় মাছ হল তার সব থেকে প্রিয়। অন্যদিকে খাসির মাংসের ভক্ত হলো বৈভব।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাদার সেঞ্চুরি দেখতে চায় আশীর্বাদ:

এদিকে ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতীয় টি-২০ দলে সুযোগ পেয়েছেন বৈভব। এই নিয়ে পরিবারের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। যুক্তরাজ্য সফরে দাদা এবং পরিবারের সঙ্গে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে আশীর্বাদ। তারও সব থেকে বড় ইচ্ছে হল, মাঠে বসে দাদার খেলা দেখা, দাদাকে আন্তর্জাতিক ম্যাচে সেঞ্চুরি করতে দেখা। বৈভবের পর এবার আশীর্বাদ, সূর্যবংশী পরিবারের আরো এক উজ্জ্বল তারকাকে হয়তো পেতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট।

আরো পড়ুন: Vaibhav Sooryavanshi: বৈভবের আচরণ কি তার কেরিয়ারের জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠবে? বৈভবের আচরণে ক্ষুব্ধ এই ক্রিকেটার!

ট্যাগ:IndiaVaibhav Suryavanshi

লেখক সম্পর্কে

Souvik Das
লিখেছেন
editor · 569 নিবন্ধ

বিগত ৪ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতার সাথে লেখালেখি করেছি। কলমের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই লেখালেখির দুনিয়ায় মূলত পা রাখা। ক্রিকেটের একজন অন্ধ ভক্ত। এর আগেও আমি বহু চ্যানেলে লেখালেখি করেছি। যেখানে প্রতিটি জায়গায় আমি আমার লেখা দিয়ে খেলাধুলার আবেগ, উত্তেজনা এবং বিশ্লেষণ পাঠকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা আমার কাজ নয়

রোহিত শর্মা, ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডকে শিরোপা দেওয়া নিয়ে প্রশ্নে