২০২৭ আইপিএলে আর খেলবেন না অস্ট্রেলিয়ার নামি ক্রিকেটারেরা! কিন্তু কেন? কে দিলেন এই ইঙ্গিত?
পরের আইপিএলে, অর্থাৎ আইপিএল ২০২৭-এ দিল্লি ক্যাপিটালসে কি থাকছেন না মিচেল স্টার্ককে? সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে প্যাট কামিন্সকে কি দেখা যাবে না? ক্যামেরন গ্রিন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন না? এবার এমনই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ার ঠাসা আন্তর্জাতিক সূচির জন্য।

আইপিএল নিয়ে বরাবরই ক্রিকেট ফ্যানেদের কাছে একটা আলাদা উন্মাদনা থাকে। গোটা বছর ফ্যানেরা অপেক্ষা করে থাকে নিজেদের পছন্দের দলের খেলা দেখবে বলে। কিন্তু, ২০২৭-এর আইপিএলটা হয়ত একটু অন্যরকম হতে চলেছে। কেননা, ২০২৭-এর আইপিএলে ভারতে নাও খেলতে আসতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা।
২০২৭ আইপিএলে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের খেলতে আসা নিয়ে কী বললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ
হ্যাঁ, সাম্প্রতিক মন্তব্যে সেই জল্পনাকেই যেন উস্কে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডের। বিশেষত, দলের পেসারদের চোটমুক্ত আর তরতাজা রাখার জন্যই আগামী আইপিএল, অর্থাৎ আইপিএল ২০২৭-এ বিরাট সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
১২ মাস ধরে পরপর খেলা রয়েছে!
অস্ট্রেলিয়ার সামনে আগামী ১২ মাসে অত্যন্ত ব্যস্ত সূচি রয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে শুরু করে জ়িম্বাবোয়ে আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একদিনের ম্যাচ, ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ম্যাচ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ, নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া পাঁচটি টেস্ট খেলবে। তারপর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল, পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ ঐতিহাসিক টেস্ট রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রচণ্ড চাপ পড়তে চলেছে ক্রিকেটারদের উপর।
আইপিএলে কি খেলবেন না গ্রিন, কামিন্স, স্টার্ক আর হ্যাজেলউড?
জশ হ্যাজেলউড, ক্যামেরন গ্রিন, প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং ট্র্যাভিস হেড- অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার আইপিএলেও নিয়মিত খেলেন। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির মাঠে তাঁদের পরের আইপিএলে খেলতে দেখা যাবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ক্রিকইনফোকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড জানান, অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনার বাইরে আইপিএল নয়। বরং নিজেদের ক্রিকেটারদের বিশ্বের অন্যতম সেরা টি-২০ প্রতিযোগিতায় খেলাতে চায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আর ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মধ্যে একই সময় ভারসাম্য রাখা জরুরি বলে জানান তিনি। পেসারদের চাপ নিয়ে চিন্তিত অস্ট্রেলিয়া।
গত আইপিএলেও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে অস্ট্রেলিয়ার একাধিক তারকাকে নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। চোটের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল মিচেল স্টার্ক আর প্যাট কামিন্সদের মতো ক্রিকেটারদের যোগদান নিয়ে। ২০২৩ সালের আইপিএলে বিভিন্ন কারণে কামিন্স, স্টার্ক এবং ট্র্যাভিস হেড প্রতিযোগিতায় অংশ নেননি।
তাই যদি এবারও আন্তর্জাতিক সূচিকে অস্ট্রেলিয়া অগ্রাধিকার দেয়, তবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে বিরাট সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
আরো পড়ুন: এ কী অবস্থা ভারতের! শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের কাছেই খারাপ দশা ধরা পড়ল ভারতের!




