একটা সময়ে সরকারি চাকরি করতেন বিরাট কোহলি, মাস গেলে পেতেন মোটা বেতনও, কিন্তু কেন খুইয়েছিলেন সেই চাকরি?
সম্প্রতি ক্রিকেটের বাইরেও সরকারি চাকরি করা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন ভারতীয় ক্রিকেটার ঈশান কিষান। ক্রিকেট থেকে বিরতি গ্রহণের সময় পাটনায় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার দপ্তরে তাঁকে কাজ করতে দেখা গিয়েছে কর্মীদের সঙ্গে। সতীর্থদের সঙ্গে তিনি সেলফিও তুলেছেন। কিন্তু জানেন কি, ঈশানের মতোই একটা সময় সরকারি সংস্থায় বিরাট কোহলিও চাকরি করতেন?

সম্প্রতি ক্রিকেটের বাইরেও সরকারি চাকরি করা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন ভারতীয় ক্রিকেটার ঈশান কিষান। ক্রিকেট থেকে বিরতি গ্রহণের সময় পাটনায় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া-র দপ্তরে তাঁকে কাজ করতে দেখা গিয়েছে কর্মীদের সঙ্গে। সতীর্থদের সঙ্গে তিনি সেলফিও তুলেছেন। কিন্তু জানেন কি, ঈশানের মতোই একটা সময় সরকারি সংস্থায় বিরাট কোহলিও চাকরি করতেন? তবে পরবর্তীকালে সেই চাকরি থেকে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।
ওএনজিসি'তে ম্যানেজার পদে চাকরি করতেন বিরাট কোহলি!
রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন বা ওএনজিসি-তে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন। সেই প্রশাসনিক পদ থেকে ২০১৭ সালে তিনি ইস্তফা দেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ‘স্বার্থের সংঘাত’ সংক্রান্ত নির্দেশিকার জন্যই চাকরি ছাড়তে হয়েছিল বিরাট কোহলিকে।
কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা সক্রিয় ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কাজ করতে পারবেন না!
২০১৭ সালের জুলাই মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিল বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। ওই সময় সুপ্রিম কোর্ট গঠিত কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস অর্থাৎ সিওএ-র নির্দেশ মেনে বিসিসিআই জানায়, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন এমন কোনও সক্রিয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় কোনোও বেতনভুক্ত পদে থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে দুটি জায়গা থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করার বিষয়টি বন্ধ করার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ওএনজিসি-র ম্যানেজারের পদ থেকে সরে যান বিরাট কোহলি:
এই নিয়মের জন্যই ওএনজিসি-র ম্যানেজারের পদ থেকে অব্যাহতি নিতে হয়েছিল বিরাটকে। তাঁর সঙ্গে সঙ্গে, নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক পদ থেকে ভারতের টেস্ট দলের দুই তারকা ক্রিকেটার চেতেশ্বর পূজারা এবংও অজিঙ্ক রাহানেকেও সরে দাঁড়াতে হয়।
আরো পড়ুন: এ কী অবস্থা ভারতের! শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের কাছেই খারাপ দশা ধরা পড়ল ভারতের!
ওএনজিসির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন বিরাট:
কিন্তু চাকরি ছেড়ে দিলেও পুরোপুরি ভাবে ওএনজিসির সঙ্গে সম্পর্ক করেননি বিরাট। ওই সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি। কিন্তু বর্তমানে ওএনজিসি থেকে কোনরকম বেতন কিংবা প্রশাসনিক সুবিধা পাননা বিরাট।
তারপর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিজেদের ক্রীড়া নীতিতেও পরিবর্তন আনে ওএনজিসি। সাধারণ কর্মচারীদের মতো স্থায়ী পদে সক্রিয় খেলোয়াড়দের রাখার পুরনো ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হয়। তাই বিরাটি সরকারি চাকরি ছাড়ার এই ঘটনা শুধুই তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। বিষয়টি বড় পরিবর্তন এনেছিল ক্রিকেটারদের সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার চাকরির সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
আরো পড়ুন: আগামী ম্যাচ খেলতে ঠিক কবে দেখা যাবে 'SKY'-কে? পরের ম্যাচেই ধামাকা দেবেন সূর্যকুমার!




