এত তাড়াহুড়ো কেন? ক্রিকেটকে 'আলবিদা' জানালেন বেন স্টোকস!
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা করলেন ইংল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার-টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস। চলতি সিরিজের ট্রেন্ট ব্রিজে আয়োজিত তৃতীয় রথসে টেস্ট ইংল্যান্ডের জার্সিতে তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে চলেছে। কেমন ছিল তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার?

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা করলেন ইংল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার-টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস। চলতি সিরিজের ট্রেন্ট ব্রিজে আয়োজিত তৃতীয় রথসে টেস্ট ইংল্যান্ডের জার্সিতে তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে চলেছে।
স্টোকসের আন্তর্জাতিক অভিষেক!
২০১১ সালে ইংল্যান্ড-এর হয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল স্টোকসের। এরপর ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে অ্যাডিলেডে অ্যাশেজ সিরিজে টেস্ট অভিষেক করেন তিনি। ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব করেছেন।
স্টোকসের ক্রিকেট ক্যারিয়ার!
নিজের ক্যারিয়ারে প্রচুর স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন বেন স্টোকস। ২০১৯ সালে আয়োজিত আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচকে সুপার ওভারে নিয়ে যায় তাঁর অপরাজিত ৮৪ রানের দারুণ ইনিংস। তাতেই ইংল্যান্ড প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতে। একই বছর হেডিংলিতে আয়োজিত অ্যাশেজ টেস্টে ইংল্যান্ডকে ইতিহাসের বিরাট জয় এনে দিয়েছে তাঁর দুর্দান্ত অপরাজিত ১৩৫ রানের ইনিংস। এছাড়াও ২০১৬ সালে কেপটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২৫৮ রান তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর।
ইংল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম ক্রিকেটার বেন স্টোকস:
ইংল্যান্ড আর ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন জানান, ইংল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম ক্রিকেটার হলেন স্টোকস। চাপের মুখে পড়েও তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্স, জয়লাভের অদম্য মানসিকতা আর ক্রিকেট ইতিহাসে তাঁকে বিশেষ মর্যাদা এনে দিয়েছে তাঁর নেতৃত্বগুণ। তিনি মাঠের বাইরেও অসংখ্য তরুণকে ক্রিকেটে অনুপ্রাণিত করেছেন।
স্টোকসের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড গুল্ডও। শুধুমাত্র পরিসংখ্যানে তাঁর অবদান সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর লড়াকু মানসিকতা, নেতৃত্ব আর দলের প্রতি নিবেদন পৃথিবীর অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণ করেন বেন স্টোকস।ইংল্যান্ডের কামব্রিয়ায় তিনি বেড়ে ওঠেন। চোট-আঘাতের অনেক বাধা অতিক্রম করেও বারবার ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন তিনি। তাঁর বিদায়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ড হারালো এক অসাধারণ ব্যাটার, কার্যকরী বোলার, একজন সফল অধিনায়ক আর আধুনিক ক্রিকেটের একজন কিংবদন্তিকে।
আরো পড়ুন: 'ঐতিহাসিক দিন' হবে: বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ম্যাকনিস!




