বিসিসিআইয়ের চোখে ধূলো দিয়ে আইপিএলে খেলেছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা! এক অভিযোগেই তোলপাড় ভারতীয় ক্রিকেট মহল!
এবার নতুন বিতর্ক শুরু হয়ে গেল একসাথে একাধিক ভারতীয় ক্রিকেটারের চোট সমস্যা নিয়ে। বরুণ চক্রবর্তী, সাই সুদর্শন, জসপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা সহ একাধিক ক্রিকেটার বর্তমানে রয়েছেন বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে। ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কেন্দ্রটির ভূমিকা নিয়ে।

এবার নতুন বিতর্ক শুরু হয়ে গেল একসাথে একাধিক ভারতীয় ক্রিকেটারের চোট সমস্যা নিয়ে। বরুণ চক্রবর্তী, সাই সুদর্শন, জসপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা সহ একাধিক ক্রিকেটার বর্তমানে রয়েছেন বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে। ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কেন্দ্রটির ভূমিকা নিয়ে। ভিভিএস লক্ষ্মণ সাফাই দিয়েছেন ঠিকই, তবে এবার এক অন্য ছবি সামনে এলো উৎকর্ষ কেন্দ্রেরই এক কর্তার মন্তব্যে। কী এমন বললেন তিনি?
বিসিসিআইয়ের চোখে ধূলো দিয়ে চোট লুকিয়ে আইপিএলে খেলেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা!
উৎকর্ষ কেন্দ্রের ওই কর্তা দাবি করেছেন, চোট লুকিয়ে আইপিএলে খেলার কারণে পরবর্তীকালে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি মনে করেন, বর্তমানে অত্যন্ত বেশি সংখ্যক ম্যাচ খেলতে ইচ্ছে হচ্ছে ক্রিকেটারদের। যার কারনে শরীরের ওপরেও অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। বিশেষত যে সকল ক্রিকেটারদের বয়স বেশি তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরো প্রকট।
শরীরে অতিরিক্ত ধকলের জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্রে যাচ্ছেন ক্রিকেটাররা!
উৎকর্ষ কেন্দ্রের ঐ কর্তা আরো জানিয়েছেন, দল ও অর্থের চাপেই আইপিএলে চোট নিয়েও অনেক ক্রিকেটার খেলেছেন। পরে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণে উৎকর্ষ কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন তাঁরা। শরীরে অতিরিক্ত ধকলের কারণে চোট পাওয়ার পরেও তাড়াতাড়ি মাঠে ফেরার সম্ভব হচ্ছে না।
পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ফেরানো হবে না ক্রিকেটারদের!
উৎকর্ষ কেন্দ্রের চিকিৎসক ও ফিজিয়োদের প্রশংসা করেছেন ওই কর্তা। তিনি জানান, তাঁদের কাছে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই চোট থেকে একেবারে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাড়াতাড়ি করে মাঠে ফেরানো হচ্ছে না ক্রিকেটারদের। তাইতো নির্বাচক, কোচ ও অধিনায়কদের বেশ কিছুটা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
আরো পড়ুন: শ্রীলঙ্কাকে ধরাশায়ী করতে কোন প্ল্যান নিচ্ছেন গৌতম গম্ভীর, গম্ভীরের 'মেগা প্ল্যান' ফাঁস!
একাধিক ক্রিকেটারকে সুস্থ করতে নাজেহাল চিকিৎসক ও ফিজিয়োরা:
এদিকে চোট পেয়ে একের পর এক ক্রিকেটার উৎকর্ষ কেন্দ্রে আসায় চাপ বেড়েছে সেখানেও। একই সময় এতজন ক্রিকেটারের পুনর্বাসন সামলাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও ফিজিয়োরা।
অন্যদিকে উৎকর্ষ কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে ভিভিএস লক্ষ্মণ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র ক্রিকেটারদের চোট সারানোর জায়গা নয় এই কেন্দ্র। ক্রিকেটারদের পুনর্বাসনের সঙ্গে সঙ্গে নজর দেওয়া হয় তাঁদের দক্ষতা আর পারফরম্যান্স উন্নত করার দিকেও।
লক্ষ্মণ আরও জানান, চোট ক্রিকেটেরই অংশ আর কোনও ক্রিকেটার কখন চোট পাবেন, সেটা কারও নিয়ন্ত্রণে নয়। উৎকর্ষ কেন্দ্রে ক্রিকেটারদের দ্রুত আর নিরাপদ ভাবে সুস্থ করে তোলার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা করা হয়। সেই কারণেই চোটের জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্রকে দায়ী করার কোনও যুক্তি নেই বলে জানান তিনি।




