CSE
Toss Index637.7 −0.11%Match Index641.1 +2.60%TIX-CPL2672.0 +2.49%Caribbean Premier League 2026 · CSXM3599 BT vs SLK +2.60%M3598 GAW vs SNP +0.94%M3597 SA vs ZIM +1.77%M3596 ENG-W vs IRE-W +2.27%M3595 BT vs TKR +0.42%M3594 GAW vs JK +2.27%M3593 NAM vs SA +4.27%M3592 SNP vs SLK −0.17%M3591 NAM vs ZIM +2.84%M3590 ENG-W vs IRE-W +4.27%Toss Index637.7 −0.11%Match Index641.1 +2.60%TIX-CPL2672.0 +2.49%Caribbean Premier League 2026 · CSXM3599 BT vs SLK +2.60%M3598 GAW vs SNP +0.94%M3597 SA vs ZIM +1.77%M3596 ENG-W vs IRE-W +2.27%M3595 BT vs TKR +0.42%M3594 GAW vs JK +2.27%M3593 NAM vs SA +4.27%M3592 SNP vs SLK −0.17%M3591 NAM vs ZIM +2.84%M3590 ENG-W vs IRE-W +4.27%
নিউজ

Untold Story of Yash Thakur: 'রিজেকশন' থেকে টিম ইন্ডিয়ার জার্সি— যশ ঠাকুরের লড়াইয়ের গল্প চোখে জল এনে দেবে!

জিম্বাবুয়ে সফরে মায়াঙ্ক যাদব আর অশোক শর্মার মতো তরুণ পেসাররা তো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেনই। তবে সেই ভিড়ে খুব একটা উচ্চারিত হয়নি যশ ঠাকুরের নাম। প্রথম ম্যাচে একাদশেও তিনি সুযোগ পাননি। তবে তিনি নিজের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছেন দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়েই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি প্রথম বলেই ঘণ্টায় প্রায় ১৪০ কিলোমিটার গতির ডেলিভারি করে নজর কেড়ে নিয়েছেন তিনি। ম্যাচে ৪ ওভারে ৩০ রানে যশ ২ উইকেট নেন। দুটি উইকেট তুলে নিয়েছেন সিরিজের শেষ ম্যাচেও।

Ashok Sharma in Indian team
Ashok Sharma in Indian team

জিম্বাবুয়ে সফরে মায়াঙ্ক যাদব আর অশোক শর্মা-র মতো তরুণ পেসাররা তো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেনই। তবে সেই ভিড়ে খুব একটা উচ্চারিত হয়নি যশ ঠাকুরের নাম। প্রথম ম্যাচে একাদশেও তিনি সুযোগ পাননি। তবে তিনি নিজের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছেন দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়েই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি প্রথম বলেই ঘণ্টায় প্রায় ১৪০ কিলোমিটার গতির ডেলিভারি করে নজর কেড়ে নিয়েছেন তিনি। ম্যাচে ৪ ওভারে ৩০ রানে যশ ২ উইকেট নেন।

বিদর্ভের হয়ে ধারাবাহিক সাফল্যে জাতীয় নির্বাচকদের নজরে!

যশ ঠাকুর ২০১৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। তবে তারপর তিনি আর দ্রুত এগোতে পারেননি। বহুবার উপেক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও হাল ছাড়েননি কখনও। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করে গেছেন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে। ২০২১-২২-র বিজয় হাজারে ট্রফিতে তিনি সাত ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও বিদর্ভের হয়ে ধারাবাহিক সাফল্য জাতীয় নির্বাচকদের নজরে আনে তাঁকে।

যশ ঠাকুরের মা কাজল ঠাকুর জানালেন ছেলের কথা!

যশের মা কাজল ঠাকুর জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে প্রত্যাখ্যানকে শক্তিতে পরিণত করতেন ছোটবেলা থেকেই। সুযোগ না পেয়েও তিনি কোনোদিনও অভিযোগ করেননি। বরং যশ বাড়ি ফিরে বারবার বলতেন, "আরও পরিশ্রম করব আমি।" তাঁর সেই মানসিকতাই আজ তাঁকে টিম ইন্ডিয়া-র জার্সি এনে দিয়েছে।

ক্যারাটে ছেড়ে ক্রিকেটে পথচলা:

রাজ্যস্তরের ক্যারাটে চ্যাম্পিয়ন ছিলেন যশের বাবা রবি সিং ঠাকুর। তাঁর ইচ্ছা ছিল, ক্যারাটেতেই বড় হোক ছেলে। ছোটবেলায় একাধিক পদক জিতেছিলেন যশও। তবে এক প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষের গুরুতর চোট দেখে তাঁর মা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারপরই পরিবারের সিদ্ধান্তে যশ ক্যারাটে ছেড়ে মন দেন ক্রিকেটে।

ধোনির মতো উইকেটকিপার হতে চেয়েছিলেন যশ:

ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হওয়াকালে যশের স্বপ্ন ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনি-র মতো একজন উইকেটকিপার হওয়া। প্রথমদিকে তিনি সেই অনুশীলনও শুরু করেন। কিন্তু একদিন নেটে বোলার না থাকায় তাঁকে কোচ বল করতে বলেন। যশের বোলিং দেখে সঙ্গে সঙ্গেই কোচ বুঝে যান, ফাস্ট বোলার হিসেবেই এই ছেলের ভবিষ্যৎ তৈরি হবে।

ওজন ঝরিয়ে হয়ে যশ হলেন গতির অস্ত্র:

ক্যারিয়ারের শুরুতে যশের বড় বাধা ছিল অতিরিক্ত ওজন। কঠোর ফিটনেস, স্প্রিন্ট, দীর্ঘ দৌড় আর নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই নিজেকে একেবারেই বদলে ফেলেন যশ। ১৪ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি একজন অ্যাথলেটিক পেসারে পরিণত হন। এক ওভারে ছ'টি নিখুঁত ইয়র্কার করার ক্ষমতা যশ রাখেন। স্লোয়ার বল এবং  ইয়র্কারের মিশ্রণে তিনি ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করতে সিদ্ধহস্ত, বলছেন কোচ। 

বাবার স্বপ্ন পূরণের আবেগঘন মুহূর্ত:

যশের ক্রিকেটজীবনের প্রতিটি ধাপে তাঁর বাবা ছিলেন তাঁর ছায়াসঙ্গী। অনুশীলনে পৌঁছে দেওয়া তো বটেই, ক্রিকেট সরঞ্জাম কিনে দেওয়া,  সবকিছুই তিনি করতেন। তবে, ২০২৩ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রবি সিং ঠাকুর মারা যান। তাই ভারতের হয়ে ছেলের অভিষেক দেখা আর হয়ে ওঠেনি তাঁর।

আরো পড়ুন: আইসিসি টি-২০ র‍্যাঙ্কিংয়ে বৈভবের 'রাজত্ব' চলছে! ১ নম্বরে কে রয়েছেন জানেন?

বাবার ছবিতে প্রণাম করেছিলেন যশ:

শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ফিরে ভারতীয় দলে নির্বাচিত হওয়ার খবর পেয়ে যশ প্রথমেই মাকে ফোন করেন। খবর শুনেই আবেগে তাঁর মা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। বাড়ি ফিরে যশ বাবার ছবির সামনে প্রণাম করেন। অভিষেকের আগের দিন সে তাঁর মাকে শুধু একটি মেসেজ পাঠিয়েছিলেন, "মা, কাল আমার ম্যাচটা দেখবে।"

ম্যাচের দিন আবেগে আপ্লুত যশের মা:

টেলিভিশনের সামনে বসে ম্যাচের দিন ছেলের ভারতের জার্সি পরার দৃশ্য দেখে কাজল ঠাকুর চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।তিনি স্বামীর ছবির দিকে তাকিয়ে শুধু বলেছিলেন, "দেখো, আজ ভারতের ক্যাপ পরে তোমার ছেলে মাঠে নেমেছে।"

প্রত্যাখ্যান, সংগ্রাম, কঠোর পরিশ্রম এবং পরিবারের সমর্থনের এই গল্প যশ ঠাকুরকে আজ প্রতিষ্ঠিত করেছে ভারতের নতুন প্রজন্মের অন্যতম একজন সম্ভাবনাময় পেসার হিসেবে। তাঁর এই যাত্রা প্রমাণ করে দিচ্ছে, সাফল্যের পথে ধৈর্য আর অধ্যবসায়ই হলো সবচেয়ে বড় শক্তি।

আরো পড়ুন: শামি প্রথম পছন্দ নয়, তাই ৪ বছর পর ভারতীয় দলে ফেরানো হতে পারে এই 'খতরনাক' পেসারকে!

লেখক সম্পর্কে

Souvik Das
লিখেছেন

Souvik Das

editor · 742 নিবন্ধ

বিগত ৪ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতার সাথে লেখালেখি করেছি। কলমের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই লেখালেখির দুনিয়ায় মূলত পা রাখা। ক্রিকেটের একজন অন্ধ ভক্ত। এর আগেও আমি বহু চ্যানেলে লেখালেখি করেছি। যেখানে প্রতিটি জায়গায় আমি আমার লেখা দিয়ে খেলাধুলার আবেগ, উত্তেজনা এবং বিশ্লেষণ পাঠকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা আমার কাজ নয়

রোহিত শর্মা, ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডকে শিরোপা দেওয়া নিয়ে প্রশ্নে