দীর্ঘ ২৫ বছর পর বাংলাদেশকে শিক্ষা দিল জিম্বাবুয়ে!
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে আয়োজিত একমাত্র টেস্টে এক ইনিংস ও ৮৫ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে নজির স্থাপন করল জিম্বাবুয়ে। এই জয়ের মাধ্যমে ২৫ বছরেরও বেশি সময় পর তারা পরপর দুটি টেস্ট ম্যাচে জিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ইতিপূর্বে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে এক ইনিংস ও ৭৩ রানে আফগানিস্তানকে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। কেমন ছিল এদিনের ম্যাচ?

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে আয়োজিত একমাত্র টেস্টে এক ইনিংস ও ৮৫ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে নজির স্থাপন করল জিম্বাবুয়ে। এই জয়ের মাধ্যমে ২৫ বছরেরও বেশি সময় পর তারা পরপর দুটি টেস্ট ম্যাচে জিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ইতিপূর্বে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে এক ইনিংস ও ৭৩ রানে আফগানিস্তানকে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের বোলারদের চাপে ধরাশায়ী বাংলাদেশ!
টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে জিম্বাবুয়ের বোলাররা প্রথম থেকেই ধস নামায় বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে। মাত্র ১৪০ রানেই বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে মোমিনুল হক সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে চারটি উইকেট নেন নিউম্যান নিয়ামহুরি। অন্যদিকে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা, ব্র্যাড ইভান্স ও ব্লেসিং মুজারাবানি দুটি করে উইকেট তোলেন।
মাঠে জিম্বাবুযয়েরি দাপট!
জবাবে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে রীতিমত দাপটের সঙ্গে খেলে। ১৪০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। ব্রায়ান বেনেট ক্রেইগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধেভেরে হাফ সেঞ্চুরি করে ৪১০ রানের বিশাল রান এনে দেন দলকে। বাংলাদেশের হয়ে সাতটি উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। তবুও বিরাট ব্যবধানে পিছিয়ে যায় দল।
আরো পড়ুন: 'গলির ক্রিকেট খেলুক’, এত ভালো খেলা সত্ত্বেও শেষমেষ গলির ক্রিকেট খেলতে বলা হল বৈভবকে!
দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ বাংলাদেশ, সাফল্য পায় জিম্বাবুয়ে:
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ২৭০ রানের লিড নেমে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসেও তাঁরা ব্যর্থ হন। বাংলাদেশ ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায়। ওদিকে ৮৫ রানের বড় জয় পায় জিম্বাবুয়ে। এনগারাভা, ইভান্স, মুজারাবানি ও নিয়ামহুরি সমানভাবে দ্বিতীয় ইনিংসেও সাফল্য পান।
ম্যাচের শেষে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভাজানান, টানা দ্বিতীয় টেস্ট জয়লাভ করা বিশেষ অর্জন দলের জন্য। তিনি আশা করেন, আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা তাঁরা বজায় রাখতে পারবেন। তরুণ পেসার নিউম্যান নিয়ামহুরির বিশেষ প্রশংসা করেন এনগারাভা। তিনি বলেন, খুব দ্রুত শিখছে নিয়ামহুরি। ভবিষ্যতে সে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের অন্যতম বড় সম্পদ হয়ে উঠবে। ব্যাটসম্যানদের অবদানের প্রশংসা করেন তিনি। সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরই নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য দল প্রস্তুতি শুরু করবে, বলে জানান অধিনায়ক।




